Pani Puri

পড়াশোনা আইআইটি থেকে, করতেন মোটা বেতনের চাকরি, ফুচকাবিক্রেতা হতে চাকরি ছাড়লেন দম্পতি!

অঙ্কিতা খানটে এবং তাঁর স্বামী অমন কৃষ্ণ— দু’জনেই আইআইটির প্রাক্তনী। অঙ্কিতা নাগপুরের বাসিন্দা। আইআইটি গুয়াহাটি থেকে পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষে চাকরিও পেয়েছিলেন একটি বহুজাতিক মোবাইল সংস্থায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৫
IITian Couple leaves job and Career to open food Club in London

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

দু’জনেই পড়াশোনা করেছেন আইআইটি থেকে। কর্পোরেট সংস্থায় মোটা বেতনের চাকরিও করতেন। তবে ফুচকা বিক্রির জন্য চাকরি ছেড়েই দিলেন সেই দম্পতি। লন্ডনে একটি খাবারের দোকান খুলেছেন তাঁরা। ৭টি পদের জন্য নিচ্ছেন ৬,০০০ টাকা। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি ভাগ করে নিয়েছেন ওই দম্পতি।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অঙ্কিতা খানটে এবং তাঁর স্বামী অমন কৃষ্ণ— দু’জনেই আইআইটির প্রাক্তনী। অঙ্কিতা নাগপুরের বাসিন্দা। আইআইটি গুয়াহাটি থেকে পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষে চাকরিও পেয়েছিলেন একটি বহুজাতিক মোবাইল সংস্থায়। ২০২৪ সালে অমনের সঙ্গে বিয়ে হয় অঙ্কিতার। অমনও আইআইটির ছাত্র। বিয়ের পর দু’জনেই ব্রিটেনে চলে যান।

ব্রিটেনে কিছু সময় চাকরি করার পর ব্যবসা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন তাঁরা। আতিথেয়তা ক্ষেত্রে কিছু করার কথা ভাবেন। এর পরেই একটি খাওয়াদাওয়ার ক্লাবের সূচনা করেন দম্পতি। সেই ক্লাবে ভারতীয় স্বাদের বিভিন্ন খাবারের পাশাপাশি অনেক রকম অনুষ্ঠানও হয়।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় অঙ্কিতা বলেন, ‘‘লন্ডনে পাকাপাকি ভাবে বাস করার জন্য এবং ব্রিটেনের চাকরির বাজার বোঝার জন্য আমি একটি ছোট বিরতি নিয়েছিলাম। ওখানে যাওয়ার আগে বেঙ্গালুরুতে চাকরি করেছি। প্রায় তিন বছর ধরে বেঙ্গালুরুতে ছিলাম। লন্ডনে আসার পর আমাদের খাবার ক্লাব খোলার চিন্তা আসে।’’

দম্পতির ওই ক্লাব মাসে ১০ থেকে ১২ জন অতিথিকে আপ্যায়ন করে। সেখানে অতিথিদের ভারতীয় এবং বিদেশি স্বাদের সংমিশ্রণে তৈরি ৭টি ‘ফিউশন’ পদ পরিবেশন করা হয়। মাথাপিছু নেওয়া হয় ছ’হাজার টাকা। সেই মেনুর মধ্যেই রয়েছে ফুচকা। সেটিই অতিথিদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। প্রতি দিনই খাবারের পদে আলাদা আলাদা ফুচকা থাকে। অতিথিরাও খুব খুশি হন ফুচকা খেয়ে। তেমনটাই দাবি অঙ্কিতার।

অঙ্কিতা জানিয়েছেন, লন্ডনে বাস করেন অথচ কোনও পরিচিত বৃত্ত নেই, মূলত তাঁদের জন্যই এই ক্লাব। খাবার মানুষকে একত্রিত করার সবচেয়ে সহজ উপায়। এই বিশ্বাস নিয়েই তিনি এবং তাঁর স্বামী ওই ক্লাব চালু করেছেন বলেও জানিয়েছেন অঙ্কিতা।

অঙ্কিতা এবং আমনের কাহিনি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়েছে। অনেকেই তাঁদের সাধুবাদ দিয়েছেন। আরও এগিয়ে যাওয়ার কামনাও করেছেন তাঁদের জন্য।

Advertisement
আরও পড়ুন