Viral Video

‘সব কিছু বুঝিও না’! উল্লাস করা ছাড়া আর কী করতে হয় চিয়ারলিডারদের? আইপিএলের মাঝে ভাইরাল ভিডিয়োয় হইচই

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘লর্ড ইমি কান্ট’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। নেটপাড়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভিডিয়োটি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২৮
Video of cheerleaders talking about their job, getting attention on social media

কাজের গল্প শোনালেন চিয়ারলিডারেরা। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

চার-ছক্কা হাঁকানো হোক অথবা বিপক্ষ দলের কোনও ক্রিকেটারের আউট হওয়া— স্টেডিয়ামে ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকের উল্লাসের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন চিয়ারলিডারেরাও। বাউন্ডারির দু’পাশে তন্বী চিয়ারলিডারেরা অনেক সময় ম্যাচের স্পন্দন হয়ে ওঠেন। কিন্তু মাঠে কী করতে হয় তাঁদের? মাথাতেই বা কী চলে? সে কথাই এ বার প্রকাশ্যে আনলেন আইপিএলের এক দল চিয়ারলিডার। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

আইপিএল চিয়ারলিডারদের যে ছোট ভিডিয়ো ক্লিপ সমাজমাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সেখানে তন্বী চিয়ারলিডারেরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের কথা তুলে ধরেছেন। ভিডিয়োয় আমেরিকার বাসিন্দা র‍্যাচেল হল তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেছেন, ‘‘আপনাকে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হয়। কারণ আমাদের কাজে পরিশ্রম অনেক। তবে এর একটি ভাল দিক হল, শারীরিক সক্ষমতা বেড়ে যায়। আমি এই জীবন উপভোগ করি।’’ সাউথ আফ্রিকা থেকে আগত শশিকা পানের দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা ভিন্ন। ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘কাজটি দেখতে যতটা কঠিন মনে হয়, ততটা নয়। কারণ আমরা সারাজীবন ধরে নৃত্যশিল্পী হওয়ার জন্যই প্রশিক্ষণ নিয়েছি। ফলে এটা আমার কাছে একটি সুন্দর কাজ এবং আমি সত্যিই আমার কাজ উপভোগ করি।’’ অনেকে আবার জানিয়েছেন, তাঁদের কাজের মূল চ্যালেঞ্জ হল খেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচা। এর জন্য তাঁদের অনেক অনুশীলন করতে হয়।

ভিডিয়োয় ইংল্যান্ডের মেইজ়ি জানিয়েছেন, কয়েকটি ম্যাচ খেলার পরেই তিনি ক্রিকেট বুঝতে শুরু করেন। তাঁর কথায়, “কী হচ্ছে সে সম্পর্কে প্রথম ম্যাচে কোনও ধারণাই ছিল না।” তিনি স্বীকার করেছেন এখনও খেলার সময় তিনি সব সময় সব বল দেখতে পান না। বার্মিংহামের লিজ়ি আবার জানিয়েছেন, নিয়মকানুন শেখাটা এই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। তিনি বলেন, “আমি এখনও শিখছি। আমি এখনও সবসময় জানি না কী হচ্ছে।”

ইংল্যান্ড থেকে আগত আরও এক চিয়ারলিডার লারিসা কথা বলেছেন শারীরিক পরিশ্রম নিয়ে। অবিরাম নাচানাচি এবং উল্লাস করার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, তাঁর কাছে চিয়ারলিডারের কাজ শরীরচর্চার সমতুল্য। তিনি যোগ করেছেন, এখানকার পরিবেশই এই পরিশ্রমকে সার্থক করে তোলে। চিয়ারলিডারদের সেই বয়ানের ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘লর্ড ইমি কান্ট’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। নেটপাড়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভিডিয়োটি। চিয়ারলিডারদের কাজ যে কতটা কষ্টসাধ্য, তা শুনে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশংসাতেও পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, আইপিএলের মতো লিগ এত বছর ধরে চলার পরেও কেন ভারতীয় চিয়ারলিডারদের সংখ্যা এত কম।

Advertisement
আরও পড়ুন