ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
কেউ রিল ভিডিয়ো শুট করছিলেন। কেউ এসে হুল্লোড় করছিলেন। কেউ সঙ্গীকে নিয়ে এসেছিলেন নিছকই প্রেম করতে। সূর্যমুখী ফুলের খেতে ঢুকে একদল তরুণ-তরুণীকে দাপাদাপি করতে দেখে তেড়ে এলেন চাষিরা। এক প্রকার ‘দূর দূর’ করে তাড়ালেন তাঁদের। মজার সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পড়ন্ত বিকালে একটি সূর্যমুখী ফুলের খেতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন একদল তরুণ-তরুণী। তাঁদের মধ্যে অনেকে দল বেঁধে রিল শুট করছিলেন। কেউ কেউ আবার প্রেম করতে এসে নিজস্বী তুলছিলেন। দৌড়োদৌড়িও করছিলেন কয়েক জন। তখনই সেখানে মোটরবাইকে করে হাজির হন ওই খেতের মালিক। উন্মত্ত জনতাকে তাঁর ফসলের খেতে দেখে রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে যান তিনি। চিৎকার তেড়ে যান তাঁদের দিকে। খেত থেকে বেরিয়ে আসতে বলেন ওই তরুণ-তরুণীদের। এর পর তাঁদের ‘দূর দূর’ করে তাড়িয়ে দেন খেতের সামনে থেকে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘দ্যভারত২৪*৭’ নামের ইস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ভিডিয়ো দেখে বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অনেক কষ্ট করে চাষ করতে হয়। এই সূর্যমুখী ফুলের খেত কৃষকের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের ফসল। তা মাড়িয়ে দেওয়ার অর্থ কৃষকের পরিশ্রমকে অসম্মান করা।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘এটা রসিকতার বিষয় নয়। এই ফুলগুলি ফলাতে কতটা পরিশ্রম লেগেছে তা কেবল কৃষকই জানেন। ওই তরুণ-তরুণীদের উপর গোবরজল ছিটিয়ে দিতে হত।” তৃতীয় জন আবার লিখেছেন, ‘‘আগে পোকামাকড়, কাকের হাত থেকে ফসল রক্ষা করতে হত। এখন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর (বিষয়স্রষ্টা)-দের হাত থেকে রক্ষা করতে হয়।’’