২৯০টি পদ নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে জামাই। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।
মকর সংক্রান্তিতে জামাই ঘরে এসেছে। তাঁকে ২৯০টি পদ দিয়ে খেতে দিলেন শাশুড়ি! আর তা দেখেই ভিরমি খাওয়ার অবস্থা হল সেই জামাইয়ের। ঘটনাটি অন্ধ্রপ্রদেশের। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে রং, আচার-অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন খাবারদাবারের মাধ্যমে মকর সংক্রান্তি উদ্যাপিত হয়। তবে অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকটি অঞ্চলে এই উৎসব জামাইদের উৎসর্গ করা হয়, যা স্থানীয় ভাবে ‘আল্লুদু’ নামে পরিচিত। অন্ধ্রপ্রদেশের গোদাবরী, নরসিপত্তনম এবং গুন্টুরের মতো জেলাগুলিতে ‘আল্লুদু’র চল রয়েছে। তবে চলতি বছরের নরসিপত্তনমের সংক্রান্তি উদ্যাপনের একটি ভি়ডিয়ো সমাজমাধ্যমে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে নরসিপত্তনমের বাসিন্দা নলম রমেশ কুমারের বাড়িতে এসেছিলেন তাঁদের কন্যা এবং জামাই। বিয়ের পর এটিই ছিল জামাই শ্রীহর্ষের প্রথম মকর সংক্রান্তি। আর তাই জামাইয়ের জন্য রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছিলেন রমেশের স্ত্রী কলাবতী। স্থানীয় রীতিনীতি মেনে জামাইয়ের জন্য ২৯০টি ঐতিহ্যবাহী পদ প্রস্তুত করেছিলেন তিনি। আর তা দেখে অবাক হয়ে যান শ্রীহর্ষ। প্রচুর খাবার দেখে ভিরমি খাওয়ার অবস্থা হয় তাঁর। তবে শেষ পর্যন্ত সব খাবার চেখে দেখেন তিনি। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ইয়াসির মুস্তাক’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘এটি নিছক পাগলামি। যখন এত মানুষ রাস্তায় খাবার না খেয়ে কষ্ট পায়, তখন আপনারা কী ভাবে এত আয়োজন করতে পারেন, কেবল একটি মানুষের জন্য।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘খুব মিষ্টি। তবে এ ভাবেই জামাইদের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।’’