Viral Video

সামুদ্রিক গর্তে ক্যামেরা ফেলে দিলেন ডুবুরি! যে দৃশ্য ধরা পড়ল, তা দেখে চমকে উঠল নেটপাড়া, ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের নীচে একটি পাথুরে গর্তের কাছে ভিড় জমিয়েছেন একদল ডুবুরি। তার মধ্যে একদম সামনের ডুবুরির হাতে একটি ক্যামেরা ধরা রয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৭:৫৪
Video shows stunning view after diver drops camera in ocean hole

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

সমুদ্রের তলদেশে একটি গর্তে ক্যামেরা ফেলেছিলেন ডুবুরি। তাতে যা দৃশ্য ধরা পড়ল, তা দেখে হতবাক নেটপাড়া। নেটাগরিকদের অনেকেই দাবি করছেন, ক্যামেরাটি কোনও সামুদ্রিক শয়তানের হাতে গিয়ে পড়েছে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

সামুদ্রিক গর্তে ক্যামেরা ফেলা ওই ডুবুরির নাম কুনি-সান। বহু বছরের ডাইভিং অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। সমুদ্রের তলদেশের সাধারণ মুহূর্তগুলোও কী ভাবে অবিস্মরণীয় হয়ে উঠতে পারে, তা বার বার প্রমাণ করেছেন তিনি। কিন্তু সমুদ্রের গর্তে ক্যামেরা ছেড়ে দেওয়ার তাঁর সিদ্ধান্তটি ছিল ব্যতিক্রমী। ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের নীচে একটি পাথুরে গর্তের কাছে ভিড় জমিয়েছেন একদল ডুবুরি। তার মধ্যে একদম সামনের ডুবুরির হাতে একটি ক্যামেরা ধরা রয়েছে। এর পর ক্যামেরাটি ওই গর্তে ফেলে দেন ডুবুরি। পারিপার্শ্বিক দৃশ্য রেকর্ড করতে করতে নীচের দিকে নেমে যায় ক্যামেরাটি। অনেক নীচে চলে যায়। সেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে ওই সামুদ্রিক গর্তের তলার অন্ধকার এবং গা ছমছমে জায়গার দৃশ্য। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘দ্য ফিগেন’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ মজার মন্তব্যও করেছেন। সব মিলিয়ে নেটপাড়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভিডিয়োটি। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘দয়া করে সমুদ্রকে ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম দিয়ে দূষিত করবেন না। কিছু জিনিসকে বিশুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক থাকতে দিন।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘আমার ধারণা কোনও সামুদ্রিক শয়তান ক্যামেরাটা তুলে নিয়েছে।” তৃতীয় এক জন আবার মন্তব্য করেছেন, “মাঝেমাঝে আমার মনে হয় সমুদ্র মহাকাশের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর।’’

Advertisement
আরও পড়ুন