Viral Video

বরফঢাকা পাহাড়ে শিফন শাড়ি পরে রিল বানাতে গিয়ে বিপত্তি, ঠান্ডায় কাঁদতে শুরু করলেন অর্ধমৃত তরুণী! ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বরফঢাকা পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে গিয়ে শিফন শাড়ি পরে রিল বানাচ্ছেন এক তরুণী। পাহাড়ি সেই এলাকার তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির নীচে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২২
Video shows woman wearing chiffon saree fall sick after dancing in snow-capped area

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির নীচে। চারিদিকে বরফে ঢাকা। কনকনে সেই আবহাওয়ায় শিফনের শাড়ি পরে হিন্দি গানে রিল বানাতে গিয়েছিলেন তরুণী। ফল হল মারাত্মক। শুটিং চলাকালীন, অক্সিজেনের মাত্রা কমে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হল তাঁর। অনিয়ন্ত্রিত ভাবে কাঁপতেও শুরু করলেন। এর পরেই অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন ভেবে সাহায্যের জন্য চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করেন ওই তরুণী। পরে অবশ্য তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বরফঢাকা পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে গিয়ে শিফন শাড়ি পরে রিল বানাচ্ছেন এক তরুণী। পাহাড়ি সেই এলাকার তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির নীচে। কনকনে সেই ঠান্ডায় পাতলা একটি শিফনের শাড়ি পরে নাচছেন তরুণী। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। কাঁদতে শুরু করেন ভয়ে। কাঁপতে কাঁপতে সাহায্য চেয়ে চিৎকারও করেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসা শুরু হয়। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। রিল বানানোর জন্য মানুষের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার যে প্রবণতা তা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ভিডিয়োটি।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘লিটললেটার্সলিঙ্কড’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে মজার মজার মন্তব্য করলেও অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। রিলের জন্য প্রাণের ঝুঁকি নেওয়ায় ওই তরুণীর নিন্দাতেও সরব হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘জীবনের থেকে রিল বানানো গুরুত্বপূর্ণ? এই ধরনের মূর্খ বিষয়স্রষ্টাদের কিছু বলার নেই। উচিত শিক্ষা হয়েছে।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘বেশ হয়েছে। এই ধরনের লোকেদের কোনও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া উচিত নয়।’’

শুধু ওই তরুণী নন, আরও এক তরুণীর অনুরূপ একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ভিডিয়োরও সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement
আরও পড়ুন