চলছে আলপনা আঁকার কাজ। — নিজস্ব চিত্র।
পূর্ব জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং আউশগ্রাম থানার সহযোগিতায় এই প্রথম শহরের বাইরে জঙ্গলমহলের আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে আয়োজিত হচ্ছে মিনি ম্যারাথন।
৩১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টায় আউশগ্রামের কালিকাপুর রাজবাড়ির মাঠ থেকে এই দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হবে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ম্যারাথন শেষ হবে ছোড়া পুলিশ ফাঁড়ির কাছে বারাসতের বইমেলার মাঠে।
জঙ্গলমহলের বুকে এমন ‘ব্যতিক্রমী’ ও বৃহৎ ক্রীড়া আয়োজনকে ঘিরে খুশির হাওয়া এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু খেলাধুলোর প্রসার ঘটাবে না, জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকার পরিচিতিও আরও বিস্তৃত করবে। জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে উৎসাহিত যুবসমাজ।
মিনি ম্যারাথনকে আকর্ষণীয় ও বর্ণাঢ্য করে তুলতে এগিয়ে এসেছেন এলাকার বিশিষ্ট শিল্পী রাখী মণ্ডল। তাঁর নেতৃত্বে একটি শিল্পী দল ম্যারাথনের রাস্তা জুড়ে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় আলপনা আঁকার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই দলে রয়েছেন তুলিকা, স্বস্তিকা, আলো, রাজদীপ, চিন্ময়, পরিধন, এএসআই নূর মহম্মদ প্রমুখ। ইতিমধ্যে আলপনা আঁকার কাজ শুরু হয়েছে। রাখী জানান, “এই উদ্যোগে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আউশগ্রাম থানার আইসি শান্তনু অধিকারী, ডিএসপি সুব্রত মণ্ডল এবং ছোড়া ফাঁড়ির ওসি রাহুল দাস। তাঁদের সহযোগিতাতেই আমরা এই আলপনার কাজ সহজ ভাবে করতে পারছি।”
সব মিলিয়ে,শীতের শেষবেলায় জঙ্গলমহলে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে জেলা পুলিশের মিনি ম্যারাথনকে ঘিরে এখন উৎসবের আবহ আউশগ্রাম জুড়ে।