Enforcement Directorate

সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলায় ইডির তল্লাশিতে বাজেয়াপ্ত ১০ লক্ষ টাকা! রেশন দুর্নীতিতেও বাজেয়াপ্ত ১৮ লক্ষ

সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তে রবিবার কলকাতার তিন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। আনন্দপুর এবং আলিপুরে দুই ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ মোট তিনটি জায়গায় চলে ইডির অভিযান। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওই অভিযানেই ১০ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং নথিপত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৮

— প্রতীকী চিত্র।

বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলায় তল্লাশি চালিয়ে ১০ লক্ষ টাকা এবং সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কিছু সন্দেহজনক নথিপত্র এবং ডিজিটাল যন্ত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে ইডি জানিয়েছে, এমন কিছু নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত হয়েছে যা থেকে রাজনীতির বৃত্তে থাকা মানুষদের টানা লেনদেনের হদিশ মিলেছে। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাতেও তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। ওই অভিযানেও ১৮.৪ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

Advertisement

সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক তছরুপের মামলায় তদন্তে রবিবার কলকাতার তিন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। আনন্দপুর এবং আলিপুরে দুই ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ মোট তিনটি জায়গায় চলে ইডির অভিযান। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওই অভিযানেই ১০ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং নথিপত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদারকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে ইডি। তিনি বর্তমানে ইডির হেফাজতে রয়েছেন, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার। বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে জয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। দু’জনের মধ্যে মোটা টাকার লেনদেনও হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর স্ত্রীকে আগ্নেয়াস্ত্র পাঠিয়েছিলেন জয়, এমনটাও দাবি ই়ডির। তবে জয় বা তাঁর সংস্থার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেনার কোনও নথিপত্র দেখাতে পারেননি মহিলা। বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে হাওয়ালা লেনদেনের ইঙ্গিত মিলেছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

গত শনিবার রেশন দুর্নীতি মামলাতেও কলকাতা, হাবড়া এবং বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সব মিলিয়ে মোট ১১ জায়গায় তল্লাশি হয়েছিল ওই দিন। পৃথক একটি বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, ওই অভিযানেও ১৮.৪ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু সন্দেহজনক নথিপত্র এবং ডিজিটাল যন্ত্রও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

Advertisement
আরও পড়ুন