Sona Pappu

ইডির পর সোনা পাপ্পু এ বার পুলিশ হেফাজতে! গোলপার্কে অশান্তির ঘটনায় ছিলেন পুলিশের নজরে

১ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে পাপ্পুর দলবলের নাম।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ ২০:০৮
Rabindra Sarobar Police have taken Sona Pappu into their custody until June 20

কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। — ফাইল চিত্র।

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্কে অশান্তির ঘটনায় এ বার কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে হেফাজতে পেল পুলিশ। আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। পরে ইডি হেফাজত থেকে জেলে ছিলেন পাপ্পু। এ বার জেল থেকে নিজেদের হেফাজতে নিল কলকাতা পুলিশ।

Advertisement

১ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে পাপ্পুর দলবলের নাম। সোনা পাপ্পুর দলবলই এলাকায় এসে গন্ডগোল পাকিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। গন্ডগোলে রবীন্দ্র সরোবর থানায় বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়।

সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতারও করেছিল। কিন্তু অধরাই ছিলেন পাপ্পু। তার মধ্যেই পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ একে একে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। অস্ত্র আইনেও মামলা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ইডি। শুধু পাপ্পু নন, এই মামলায় নাম জড়িয়ে যায় বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার এবং কালীঘাট থানার প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহের। পাপ্পুর মামলায় জয় এবং শান্তনু— দু’জনেই গ্রেফতার হন। কিন্তু অধরা ছিলেন পাপ্পু।

দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর খোঁজ না মেলায় তদন্তকারীরা মনে করছিলেন, ভিন‌্‌রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন পাপ্পু। পাপ্পুকে যখন পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন মাঝেমধ্যেই ফেসবুকে লাইভ করেছেন তিনি। ইডি তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। তাঁর বাড়িতেও অভিযান চালায় ইডি। কিন্তু পাপ্পুর খোঁজ পাওয়া যায়নি। সেই নিয়ে টালবাহানার মধ্যে গত ১৮ মে সস্ত্রীক ইডি দফতরে হাজিরা দেন পাপ্পু। দীর্ঘ ক্ষণ জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করেন ইডি আধিকারিকেরা।

ইডি হেফাজতে থাকার পর পাপ্পুকে জেল হেফাজতে পাঠায় আদালত। তার পর থেকেই পাপ্পুকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। আলিপুর আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর বিচারক ২০ জুন পর্যন্ত পাপ্পুকে পুলিশ হেফাজতে পাঠান।

Advertisement
আরও পড়ুন