Murshidabad Incident

বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন মানসিক ভাবে, ছিলেন অসুস্থও! জঙ্গিপুর হাসপাতালে গলায় ফাঁস বিএসএফ জওয়ানের

জানা গিয়েছে, মৃত জওয়ানের নাম অরুণ মুখোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরে বিএসএফ ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৯
Body of BSF jawan recovered from toilet of Jangipur Sub District Hospital

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

হাসপাতালের শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক জওয়ান! পরিবারের দাবি, চার দিন আগে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। সেই কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, অসুস্থও ছিলেন। বৃহস্পতিবার অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। সে দিনই সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালের শৌচাগার থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাটি ঘটেছে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃত জওয়ানের নাম অরুণ মুখোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরে বিএসএফ ব্যাটেলিয়নে কর্মরত ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর, চার দিন আগে মারা যান অরুণের বাবা। সেই খবর পেয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। ভেঙে পড়েছিলেন মানসিক ভাবেও। বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অস্বাভাবিক আচরণও করতে থাকেন।

অরুণের বাড়ি জঙ্গিপুরের রঘুনাথগঞ্জ থানার বাজারপাড়া এলাকায়। অসুস্থতা দেখে পরিবারের লোকেরা বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে ভর্তি করে নেন হাসপাতালে। পরিবারের দাবি, সন্ধ্যার দিকে তিনি তাঁর বোনের কাছ থেকে একটি ওড়না চেয়ে নেন। তার পরে তা নিয়ে শৌচাগারে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন।

মৃতের বোন টুম্পা দাস বলেন, ‘‘দাদাকে ওড়না দিতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু এক প্রকার জোর করে আমার থেকে ওড়না নিয়ে শৌচাগারে যায়। তবে তখন কিছু বুঝিনি। তবে বেশ কিছু ক্ষণ কেটে যাওয়ার পরেও না-ফেরায় সন্দেহ হয়। শৌচাগারে কাছে গিয়ে দেখি দরজা বন্ধ।’’ ডাকাডাকি করে সাড়া না-মেলায় চিন্তিত হয়ে পড়েন টুম্পা। তাঁর চেঁচামেচি শুনে অনেকে জড়ো হন। এক জন শৌচাগারে উঁকি দিয়ে অরুণকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার পরেই দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

Advertisement
আরও পড়ুন