TMC MP Samirul Islam

এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ সামিরুল, ডাক পেয়েছেন শাসকদলের দুই লোকসভার সাংসদও

শুনানিতে যোগ দেওয়ার পর সমাজমাধ‍্যমে সাংসদ লেখেন, “আজ আমি এসআইআর সংক্রান্ত শুনানিতে বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লক অফিসে উপস্থিত ছিলাম এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী নথি জমা দিয়ে শুনানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:৩৪
এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম।

এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। — নিজস্ব চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) পর্বে শুনানিতে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সামিরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ওই সাংসদকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। নোটিসপ্রাপ্তির পর তিনি হাজিরা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। সেইমতো সোমবার সকালে শুনানিতে হাজিরা দিতে যান সামিরুল। নোটিসে সাংসদকে বলা হয়, ‘‘বর্তমান ভোটার তালিকা এবং পূর্ববর্তী এসআইআরের সময় প্রস্তুত ভোটার তালিকায় আপনার পিতার/নিজের নামের অমিলের কারণে এবং আপনার গণনা ফর্মে দেখানো সংযোগ অনুযায়ী মনে হচ্ছে আপনি পূর্ববর্তী এসআইআরের ভোটার তালিকার সাথে ভুল ভাবে যুক্ত করেছেন।’’ তাই তৃণমূল সাংসদকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে শুনানিতে হাজিরা দিতে হবে।

Advertisement

শুনানিতে যোগ দেওয়ার পর সমাজমাধ‍্যমে সাংসদ লেখেন, “আজ আমি এসআইআর সংক্রান্ত শুনানিতে বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লক অফিসে উপস্থিত ছিলাম এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী নথি জমা দিয়ে শুনানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তবে শুনানি প্রাঙ্গণে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কাটানোর পর আমি উপলব্ধি করলাম, কী ভাবে নির্বাচন কমিশনের হয়রানির ফলে বাংলার দরিদ্র মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কোলে শিশু নিয়ে অথবা দিনের কাজ কামাই করে মানুষকে অত্যাচার আর ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে। আমি দেখেছি, যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত রয়েছে, তাঁদেরও অকারণে হয়রানি করা হচ্ছে। গরীব মানুষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এই কারসাজি। তবে আজ সুপ্রিম কোর্টে বাংলা-বিরোধী শক্তির পরাজয় হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আমাদের বাংলার মানুষের দাবি মেনে নিয়েছেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ সুপ্রিম কোর্টে জিতেছে বাংলার মানুষ, হেরেছে দিল্লির দালালেরা।”

সামিরুলের পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে বীরভূমের রামপুরহাটের দুনিগ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে দুনিগ্রাম হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। সাংসদ নিজেও হাসন কেন্দ্রের ভোটার। কর্মসূত্রে তাঁকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কলকাতা ও দিল্লিতে থাকতে হলেও, এখনও তিনি হাসনের ভোটার। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে তৃণমূলে যোগদান করে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন সামিরুল। পেশায় অধ্যাপক সামিরুল দীর্ঘ দিন ধরেই দেশের পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কাজকর্ম করে থাকেন। অন্য দিকে, ইতিমধ্যে ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দেব এবং মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপী হালদার এসআইআরের নোটিস পেয়ে হাজিরা দিয়েছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন