Bangladesh Situation

এ বার হোটেলমালিককে খুন করা হল বাংলাদেশে! বচসা থামানোর চেষ্টা করতেই মারধর শুরু, বেলচা দিয়ে মাথায় আঘাত

বাংলাদেশের গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বরাহনগর এলাকায় একটি মিষ্টির দোকান এবং হোটেল রয়েছে লিটনের। শনিবার সকালে সেখানে একটি বচসা থামানোর চেষ্টা করলে কয়েক জন লিটনের উপর চড়াও হন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:১৭

—প্রতীকী চিত্র।

বাংলাদেশে পিটিয়ে খুন করা হল এক হোটেলমালিককে। মৃতের নাম লিটনচন্দ্র ঘোষ ওরফে কালী (৫৫)। ‘দ্য ডেলি স্টার’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বরাহনগর এলাকায় একটি মিষ্টির দোকান এবং হোটেল রয়েছে লিটনের। শনিবার সকালে সেখানে একটি বচসা থামানোর চেষ্টা করলে কয়েক জন লিটনের উপর চড়াও হন। এলোপাথাড়ি চড়-ঘুসি মারা হয় তাঁকে। বেলচা দিয়ে লিটনের মাথায় আঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

Advertisement

এই খুনের ঘটনায় স্বপন মিঞা, তাঁর স্ত্রী মাজেদা খাতুন এবং পুত্র মাসুম মিঞাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ‘দ্য ডেলি স্টার’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, স্বপনের কলার ব্যবসা রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর কলাবাগান থেকে কিছু কলা চুরি হয়ে হয়ে যায়। স্বপনের দাবি, চুরি যাওয়া কলা তিনি লিটনের হোটেলে দেখতে পেয়েছেন। শনিবার সকালে এই নিয়ে হোটেলের এক কর্মীর সঙ্গে স্বপনদের বচসা শুরু হয়। বচসা থামানোর চেষ্টা করেন হোটেলের মালিক লিটন। অভিযোগ, তার পরেই স্বপন, স্বপনের স্ত্রী এবং পুত্র লিটনকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করেন। বেলচা দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। মারের চোটে সংজ্ঞা হারিয়ে মেঝেতে পড়ে যান তিনি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশের কালীগঞ্জ পুরসভার কাছেই রয়েছে লিটনের হোটেল এবং মিষ্টির দোকান। জনবহুল এলাকায় এবং দিনের আলোয় এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই লিটনের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য ভবনের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান, লিটনকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

শুক্রবার ভোরে বাংলাদেশের রাজবাড়ি সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে রিপন সাহা নামের এক পেট্রলপাম্প কর্মীকে গাড়ি চালিয়ে পিষে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার ভোরে পেট্রলপাম্পে তেল নিতে এসেছিল একটি চারচাকার গাড়ি। অভিযোগ, তেল দেওয়ার পর টাকা না-দিয়েই সেটি চলে যাচ্ছিল। বাধা দিতে গেলে রিপনকে ধাক্কা মেরে তার মাথার উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেইঅ বাংলাদেশে আরও একটি খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এল।

Advertisement
আরও পড়ুন