Bizarre

পেটে ভয়াবহ যন্ত্রণা নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে, হাত-পা বেগনি হয়ে গিয়ে জটিল রোগ ধরা পড়ল তরুণীর

চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতাল থেকে সে দিন বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন লুইস। কিন্তু সেই রাতেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তরুণী। ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে পড়ছিলেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৩

—প্রতীকী ছবি।

কয়েক দিন ধরেই পেটে ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছিল তরুণীর। রাতারাতি সেই যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ছুটে যান তিনি। রোগনির্ণয় করে দেখা যায়, কিডনিতে পাথর হয়েছে তরুণীর। রোগনির্ণয়ের পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়ি ফিরেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তরুণী। পরে কঠিন রোগও ধরা পড়ে তাঁর।

Advertisement

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তরুণীর নাম লুইস মার্শালসে। ওয়েলসের সোয়ানসির বাসিন্দা তিনি। ২০২২ সালের জুলাই মাসে পেটে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন তিনি। হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে জানতে পারেন, কিডনিতে পাথর হয়েছে তাঁর। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতাল থেকে সে দিন বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন লুইস। কিন্তু সেই রাতেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তরুণী। ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে পড়ছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে দেখেন যে, সেপটিক শকে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। তার ফলে সংক্রমণও শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর। শরীরের অন্য অঙ্গগুলিকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন চিকিৎসকেরা। শরীরের টিস্যু নষ্ট হতে শুরু করে দেয় তাঁর। ফলে হাত-পায়ের রং কালো থেকে বেগনি হতে শুরু করে।

হাতে কোনও সাড়ও পাচ্ছিলেন না লুইস। হাত-পায়ের আঙুল নাড়াতে পারছিলেন না তিনি। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে অস্ত্রোপচার করে লুইসের হাত-পায়ের আঙুল কেটে ফেলা হয়। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে অস্ত্রোপচারের পর বাবা-মায়ের প্রতি সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন লুইস। পরে উন্নত মানের প্রস্থেটিক লিম্ব ব্যবহার করে নতুন জীবন খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন