ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
দুপুরবেলা রেস্তরাঁর বাইরে পায়চারি করছিলেন তরুণ মালিক। রাস্তা থেকে একটি ষাঁড় তেড়ে এসে তরুণকে গুঁতো দিয়ে শূন্যে তুলে ফেলল। হাত দিয়ে ষাঁড়ের শিং দু’টি ধরার চেষ্টা করলেও খ্যাপা চারপেয়ের আক্রমণ ঠেকাতে পারলেন না তিনি। পরে মাটিতে নামতেই সেখান থেকে দৌড়ে পালালেন। একটি গাড়ির আড়ালে গিয়ে লুকিয়ে পড়লেন তরুণ। ষাঁড়টিও তরুণকে দেখতে না পেয়ে সেখান থেকে চলে গেল। পরে আহত অবস্থায় তরুণকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘শচিন গুপ্ত’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি ষাঁড় এক তরুণের দিকে তেড়ে গিয়ে গুঁতো মেরে তাঁকে শূন্যে তুলে দিল। মাটিতে পড়তে না পড়তেই প্রাণ বাঁচানোর জন্য দৌড় দিলেন তরুণ। সেখানেই একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। ষাঁড়ের হাত থেকে বাঁচতে সেই গাড়িটির পিছনে লুকিয়ে পড়লেন তিনি। চোখের আড়াল হতে ষাঁড়টিও আর তরুণকে দেখতে পেল না। না দেখতে পেয়ে সেখান থেকে চলে গেল সে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের মেরঠের কঙ্করখেরা এলাকায় ঘটেছে। ওই তরুণের নাম ধীরজ রাঠী। পেশায় রেস্তরাঁর মালিক তিনি। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ রেস্তরাঁর সামনের ফুটপাতে পায়চারি করছিলেন ধীরজ। হঠাৎ রাস্তা থেকে একটি খ্যাপা ষাঁড় তরুণের দিকে দৌড়ে গেল। গুঁতো মেরে তরুণকে শূন্যে তুলে দিল সে।
পাছে ষাঁড়টি তাঁকে আবার আক্রমণ করে, সেই ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে গেলেন ধীরজ। রেস্তরাঁর সামনে একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। সেই গাড়িটির আড়ালে লুকিয়ে পড়লেন ধীরজ। ষাঁড়টি আর তরুণকে খুঁজে না পেয়ে সেখান থেকে চলে গেল। গুঁতো খেয়ে পাঁজরে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন ধীরজ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন তিনি। হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে।