(বাঁ দিক থেকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ইরানের সর্বোচ্চনেতা মোজতবা খামেনেই। — ফাইল চিত্র।
ভার্চুয়ালি সইসাবুদ হয়ে গিয়েছে। তবে শান্তিচুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা এখনও কিছুটা বাকি। সেই কারিগরি-সংক্রান্ত আলোচনা করতে ২১ জুন, রবিবার আবার মুখোমুখি বসতে চলেছে আমেরিকা এবং ইরান। এমনই জানাল পাকিস্তান। শুধু আমেরিকা বা ইরান নয়, মধ্যস্থতাকারী হিসাবে পাকিস্তান এবং কাতারের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।
পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই বৈঠকের কথা জানানো হয়েছে। রবিবার সুইৎজ়ারল্যান্ডের বারগেনস্টকে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা এবং ইরান। এক্স পোস্টে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী হিসাবে তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তবে সেই আলোচনা শুরুর আগেই আবার নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম এশিয়া। শুক্রবার আমেরিকার তরফে জানানো হয়, ইজ়রায়েল এবং ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লার মধ্যে সংঘর্ষবিরতির কথা ঘোষণা করে। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা পরেই সংঘর্ষবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালায় ইজ়রায়েল। রাত গড়াতেই ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় স্থলপথে হামলা চালায়। আরব সালিম, দেইরের মতো জনপদে গোলাবর্ষণ করা হয়। শনিবার ভোরে নাবাতিয়েহ এলাকার অসামরিক বসতি অঞ্চলে হয় ড্রোন হামলা।
সেই হামলার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ইরান। তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেয়, লেবাননে ইজ়রায়েলের হামলার কারণে তারা আবার হরমুজ় প্রণালী ‘বন্ধ’ করে দিচ্ছে। কোনও জাহাজ যাতে হরমুজ় পার হওয়ার চেষ্টা না-করে, তার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে তেহরান। লেবাননে ইজ়রায়েলের এই হামলার ইতিমধ্যে সমালোচনা করেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের এই হামলার কারণে তেহরানের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি হয়েছে, তা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ওই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল, লেবাননেও হামলা বন্ধ করতে হবে ইজ়রায়েলকে। কিন্তু ইজ়রায়েলের এই হামলা নতুন করে আশঙ্কা তৈরি করেছে।