৫ পৌষ ১৪২১ রবিবার ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ weather forecast সর্বোচ্চ : ২৬.৫°C     সর্বনিম্ন : ১৪.৪°C

কাজে ফাঁকির অভিযোগে শো-কজ চক্ষু বিশেষজ্ঞদের

কাজে ফাঁকি দেওয়া এবং হাসপাতালে কম অস্ত্রোপচার করার অভিযোগে জেলা স্তরে এক সঙ্গে ৭৯ জন সরকারি চক্ষু চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর নোটিস ধরিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। জেলা, মহকুমা ও স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ওই চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কম সময় দিতেন বলে অভিযোগ। রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব মলয় দে-র কথায়, “সরকারি হাসপাতালের এক-এক জন চক্ষু বিশেষজ্ঞের বছরে অন্তত ৫০০টি ছানি অস্ত্রোপচার করার কথা। কিন্তু দেখা গিয়েছে ২০১২-১৩ সালে ওই ৭৯ জন ডাক্তারের কেউই ৭০-১৫০-র বেশি অস্ত্রোপচার করেননি। মাত্র ১০-১৫টি অস্ত্রোপচার করেছেন এমন ডাক্তারও রয়েছেন।”

পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

হুঁশ ফিরল শিশুমৃত্যুতে, কাজে যোগ বিশেষজ্ঞের

নিজস্ব সংবাদদাতা

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

হোমিওপ্যাথি কলেজ নিয়ে নড়াচড়া শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

মেডিক্যাল ও নীলরতনে ছাত্র ভর্তি বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা

পরিকাঠামো ঠিক করার মুচলেকা দিয়েও আবার ডাহা ফেল করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শুক্রবার ‘মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া’ (এমসিআই) রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্নাতক স্তরে মোট ২০০ আসনে ছাত্র ভর্তি বন্ধ রাখতে হবে। বছর পাঁচেক আগে ওই দুই মেডিক্যাল কলেজেই আসন-সংখ্যা ১৫০ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ করা হয়েছিল।

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

সদ্যোজাতের মৃত্যুতে প্রশ্নে চিকিৎসকেরা

সোমা মুখোপাধ্যায়

পরিকাঠামো রয়েছে। কিন্তু তার সদ্ব্যবহার করতে ডাক্তারেরা কতটা তৎপর? এম আর বাঙুর হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃত্যু গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামনে সেই প্রশ্ন তুলে দিল। বাঙুর হাসপাতালে ‘সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট’ (এসএনসিইউ) থাকা সত্ত্বেও ওই হাসপাতালে জন্মানো একটি শিশু কার্যত বিনা চিকিৎসায় মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তার পরিবারের লোকেরা।

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

বিধির গেরোয় আটকে টাকা, বঞ্চিত দুঃস্থেরা

পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

টাকা রয়েছে। সেই টাকার যাঁরা ন্যায্য প্রাপক, তাঁরাও চিহ্নিত হয়ে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর তাঁদের হাতে সময় মতো টাকা তুলে দিতে পারছে না! স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এমন ব্যর্থতায় খোদ স্বাস্থ্যকর্তাদের একটা বড় অংশই উদ্বিগ্ন, বিরক্ত। উদ্বিগ্ন হওয়ার আর একটি বড় কারণ, টাকা না-দেওয়ার এই ঘটনা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নয়। বরং তা ঘটছে খাস কলকাতা শহরের নামী মেডিক্যাল কলেজগুলিতে, ‘জননী সুরক্ষা যোজনা’র মতো বহুল প্রচারিত সর্বভারতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির ক্ষেত্রে।

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

হুঁশ ফিরল শিশুমৃত্যুতে, কাজে যোগ বিশেষজ্ঞের

নিজস্ব সংবাদদাতা

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

হোমিওপ্যাথি কলেজ নিয়ে নড়াচড়া শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

অন্য শিশুর দেহেই বাঁচুক ছেলের হৃদয়

সংবাদ সংস্থা

ছেলেকে হারিয়েছেন এক রাতও পোহায়নি। শোকে বিহ্বল বাবা-মার কাছে আর এক খুদের প্রাণ বাঁচানোর আর্জি নিয়ে এল চিকিৎসকের দল। নিরাশ করেননি বাবা-মা। ডাক্তারদের আর্জি মতো ‘মৃত’ ছেলের সচল হৃৎপিণ্ডটি দান করেছেন। সেটি হাতে পাওয়ার পর সময় নষ্ট করেননি ডাক্তাররাও। তৎক্ষণাৎ বেঙ্গালুরু থেকে উড়ে গিয়েছেন চেন্নাইয়ে। শুরু করে দিয়েছেন হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কাজ।

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

রোগীর হয়ে আদালতে সওয়াল চিকিৎসকেরই

রাজদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

আবহাওয়ার অস্থিরতায় ডেঙ্গির দাপট বছরভর

নিজস্ব সংবাদদাতা

কখনও তাপমাত্রা নামছে। কখনও আবার মেঘে ছেয়ে যাচ্ছে আকাশ। অস্বস্তি বাড়ছে রাতে। আবহাওয়ার এই চড়াই-উতরাইয়ে ওদের পোয়াবারো। ওদের মানে ডেঙ্গি ভাইরাস, প্লাসমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম, ভাইভাক্সের। গোত্র-পরিচয়ে ওরা জীবাণু। কেউ ভাইরাস, কেউ বা প্যারাসাইট। ওদের দৌরাত্ম্যে শীতেও ম্যালেরিয়া আর ডেঙ্গি রোগীর কমতি নেই রাজ্যে। শীত সবে এসেছে বলে বুধবার জানায় হাওয়া অফিস। তার প্রতাপের ওঠানামার উপরে ওই সব রোগের দাপটের হ্রাস-বৃদ্ধি অনেকটাই নির্ভর করবে বলে বিশেষজ্ঞ-চিকিত্‌সকদের অভিমত।

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

কর্তব্য পালনের উজ্জ্বল নজির গড়লেন এক জুনিয়র ডাক্তার

সোমা মুখোপাধ্যায়

এনআরএস হাসপাতালের হস্টেলে পিটুনিতে কোরপান শাহের মৃত্যুর ঘটনা জুনিয়র ডাক্তারদের ভাবমূর্তির ক্ষেত্রে যখন বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে, ঠিক তখনই একচিলতে উজ্জ্বলতার আভাস দিল বাঙুর হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারের ‘কর্তব্যবোধ’। যাতে ‘প্রভাবিত’ তাঁর সিনিয়র দাদারাও। পচে পোকা ধরে যাওয়া জরায়ুর চিকিত্‌সা করাতে হাসপাতালে আসা এক বৃদ্ধার ছোঁয়াচ বাঁচাতে যখন ব্যস্ত হাসপাতালের অধিকাংশ ডাক্তার, তখন স্বেচ্ছায় গিয়ে তাঁর শুশ্রূষার দায়িত্ব নিলেন ওই তরুণ চিকিত্‌সক উজ্জ্বল বটব্যাল।

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

অ্যাম্বুল্যান্স চেয়ে তাণ্ডব হাসপাতালে

নিজস্ব সংবাদদাতা

রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স দাবি করে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর এবং ভাঙচুর চালানো হল। মঙ্গলবার রাতে ওই ঘটনায় পুলিশ চার জনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টা নাগাদ ডায়মন্ড হারবারের হটুগঞ্জ-উস্তি রোডে কুলেশ্বর মোড়ের কাছে একটি মোটরবাইকের সঙ্গে উল্টো দিক দিয়ে আসা গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় কুলেশ্বর গ্রামের আনোয়ার মোল্লা (২৫) মোটরবাইকটি চালাচ্ছিলেন। পিছনে বসেছিলেন ইব্রাহিম লস্কর (২০)।

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

রোগী দেখতে অস্বীকার করায় চিকিৎসককে চড়

নিজস্ব সংবাদদাতা

রাতে রোগী দেখতে অস্বীকার করায় বাড়িতে ঢুকে চিকিৎসকে চড় মারার অভিযোগ উঠল আলিপুরদুয়ারের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। সোমবার রাতে জেলা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার ওই ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে আপাতত শহরে ‘প্রাইভেট প্র্যাকটিস’ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসক সংগঠন।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

বালকের পায়ে বিঁধে কাঁটা, ডাক্তারই নেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

নিজস্ব সংবাদদাতা

পায়ে বেঁধা কাঁটা নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েও চিকিৎসা পেল না বছর দশেকের এক বালক। চিকিৎসক না থাকায় ওই বালকের কাঁটা তুলবে কে, তা নিয়ে ঘণ্টাখানেক ধরে দুশ্চিন্তায় কাটালেন তার পরিবার। মঙ্গলবার ঝালদা ১ ব্লকের মাহাতোমারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনা। শেষে বিধায়কের পাঠানো অ্যাম্বুল্যান্সে সেই বালককে ঝালদা শহরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। এ দিন সকালে কলমা গ্রামের বছর দশেকের বালক মন্টু মাঝি বাড়ির লোকজনের সঙ্গে জঙ্গলে জ্বালানি সংগ্রহে গিয়েছিল।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

মৃত্যু ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত প্রৌঢ়ার

নিজস্ব সংবাদদাতা

ম্যালিগনান্ট ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ার। ওই পরিবারেরই অপর এক যুবকের জ্বরে মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের অনুমান, ম্যালেরিয়া থেকে তাঁরও মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মৃতদের নাম অজিত প্রধান (৪২) ও শান্তিলতা প্রধান (৬৫)। এগরা-১ ব্লকের চিরুলিয়া গ্রামের ঘটনা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিলতাদেবী এগরা-১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রেখা প্রধানের মা। অজিতবাবুও সম্পর্কে রেখাদেবীর দাদা। গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন অজিতবাবু। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪

আসছে না টাকা, শিকেয় উঠবে কি রোগী কল্যাণ

পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

পেয়িং বেড বলে কিছু নেই। এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা রক্তপরীক্ষার জন্যও টাকা লাগে না। গরিব রোগীদের কথা ভেবে রাজ্যের জেলা, মহকুমা, স্টেট জেনারেল ও গ্রামীণ হাসপাতালে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। ওই সব খাতে আদায় হওয়া টাকা জমা পড়ত রোগী কল্যাণ সমিতির তহবিলে। হাসপাতালগুলির উদ্বিগ্ন কর্তারা বলছেন, টাকা আসছে না রোগী কল্যাণে। সেই কাজ তাই শিকেয় ওঠার জোগাড়। স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য বলছেন, উপায় আছে। হাসপাতালগুলিকেই তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

বেসরকারি অনুষ্ঠানে ‘ব্যস্ত’ চিকিৎসকেরা, ভোগান্তি রোগীদের

সোমা মুখোপাধ্যায়

মাথায় আঘাত নিয়ে শুক্রবার দুপুরে বারাসত হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে এসেছিলেন সত্তরোর্ধ্ব তুষার মহাপাত্র। পরিবারের অভিযোগ, রোগীর ন্যূনতম চিকিৎসাটুকুও না করে তাঁকে ওই হাসপাতাল থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বলা হয়, “সব ডাক্তার আজ মিটিং-এ ব্যস্ত আছেন।” একই অভিযোগ প্রসূতি বিভাগে ভর্তি এক রোগিণীর আত্মীয়েরও। তাঁদের বক্তব্য, রোগিণীর অবস্থার অবনতি হচ্ছে দেখে তাঁরা ডাক্তারকে খবর পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু ওয়ার্ড থেকে বলা হয়, “ডাক্তারবাবুরা ব্যস্ত আছেন। কাউকে পাওয়া যাবে না।’

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

প্রাথমিক চিকিৎসার তালিম হাবিবাদের

নির্মল বসু

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

মালদহে অজানা জ্বরে মৃত্যু বৃদ্ধের

নিজস্ব সংবাদদাতা

রবিবার ভোর রাতে অজানা জ্বরে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া অজানা জ্বর নিয়ে মহিলা ও পুরুষ বিভাগ মিলিয়ে ৩০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জেলায় নতুন করে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম জ্যাঠা মার্ডি (৬০)। তাঁর বাড়ি মালদহের গাজলের টিকাভিটা গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাতে জ্বর নিয়ে তাকে গাজল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

ওষুধ আছে, তাও মেডিক্যালে যেতে চান না আক্রান্তরা

সৌমিত্র কুণ্ডু

হাইকোর্টের নির্দেশে হিমোফিলিয়া রোগীদের চিকিত্‌সার জন্য ওষুধ মজুত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অথচ সেখানে যেতে চাইছেন না রোগীরা। তাদের বক্তব্য, ওষুধ নিতে গেলেই ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। তিন চার দিন হাসপাতালে ফেলে রাখতে হচ্ছে রোগীকে। চিকিত্‌সকেরা সময় মতো আসেন না। একে ওকে ধরে ব্যবস্থা করলে তবে চিকিত্‌সা পান রোগীরা। অথচ ওই রোগীদের সমস্যা হলে চটজলদি চিকিত্‌সা দরকার।

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

শাস্তি দিলে উত্‌সাহ হারাবেন ডাক্তারেরা, মত কনভেনশনে

নিজস্ব সংবাদদাতা

গত তিন বছরে অন্তত ৫ জন স্বাস্থ্য আধিকারিক তথা চিকিত্‌সক সাসপেন্ড হয়েছেন। বিষয়টি ভাল চোখে দেখেননি চিকিত্‌সকদের অনেকেই। সেখানে পরিকাঠামোর ঘাটতিও বড় সমস্যা সেখানে। এক তরফা ভাবে চিকিত্‌সকদের অভিযুক্ত করলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে কাজ করতে তাঁরা উত্‌সাহ হারাবে বলে মনে করছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের একাংশ। শনিবার শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে মৈনাক ট্যুরিস্ট লজে আইএমএ’র উত্তরবঙ্গ কনভেনশন হয়। সেই সঙ্গে চা বাগানগুলির চিকিত্‌সকরাও ছিলেন। তাতে যোগ দিতে এসে সদস্যদের অনেকেই এ কথা জানিয়েছেন।

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

স্বাস্থ্যবিমা, বাড়ল যাতায়াতের প্রাপ্য

রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যবিমা যোজনায় (আরএসবিওয়াই) উপভোক্তাদের চিকিত্‌সার জন্য সরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসা-যাওয়া বাবদ প্রাপ্য টাকা দ্বিগুণ করে দিল স্বাস্থ্য দফতর। প্রকল্পের উপভোক্তারা এতদিন চিকিত্‌সার প্রয়োজনে মেডিক্যাল কলেজে যেতে ৩০০ টাকা যাতায়াত খরচ পেতেন। এ বার থেকে ৬০০ টাকা করে পাবেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, প্রত্যন্ত গ্রামের রোগীদের নিকটবর্তী মেডিক্যাল কলেজে যাতায়াতে ৩০০ টাকার অনেক বেশি খরচ হয় বলে ক্ষোভ দানা বাঁধছিল।

পড়ুন