৩ বৈশাখ ১৪২১, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৪ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ weather forecast সর্বোচ্চ : ৩৭.১ °C     সর্বনিম্ন : ২৬.১ °C

এই মুহূর্তে












দেশ

প্রতিপক্ষের প্রশংসায় মুখর দুই তারকা

লড়াইটা শুধু বিজেপি বনাম কংগ্রেস-আরজেডির নয়। লড়াইটা ‘বিহারিবাবু’ বনাম ‘বাংলার জামাইবাবু’-রও। কারও কারও কাছে এটা আবার মুম্বই বনাম ভোজপুর। কেন্দ্রের নাম পটনা সাহিব। যেখানে এক দিকে বর্তমান সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিন্হা। অন্য দিকে কংগ্রেস প্রার্থী কুণাল সিংহ। ‘বিহারীবাবু’ শত্রুঘ্ন বলিউডের প্রিয় ‘শত্রু’।

16desh4
১৬ এপ্রিল, ২০১৪

রাজ্য

লিফ্ট-বিভ্রাটে বর্ষবরণ ‘মিস্’ হল বুদ্ধবাবুর

এলেন। দেখলেন। এবং ফিরে গেলেন! জয় করা আর হল না! প্রবীণতম বাম নেতার আমন্ত্রণ রক্ষার্থে নববর্ষের বিকালে হেমন্ত বসু ভবনে পৌঁছেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। স্মরণযোগ্য কালের মধ্যে এই প্রথম কোনও বাম শরিক দলের রাজ্য দফতরে বুদ্ধবাবুর পদার্পণ।

16raj5
১৬ এপ্রিল, ২০১৪

পুরুলিয়া-বীরভূম-বাঁকুড়া

সিপিএম নেতার চিকিৎসায় তৎপর অনুব্রত

কখনও পুলিশের গাড়িতে বোমা মারতে বলা, কখনও নির্দলদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি। কখনও আবার বিরোধীদের ‘ইঁদুর’ তকমা দেওয়া। বিতর্ক তাঁর বরাবরের সঙ্গী। নাম জড়িয়েছে খুনের মামলাতেও। বীরভূমে সিপিএমকে ‘উৎখাত’ করায় তাঁর ভূমিকার কথা মেনে নেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাও। সেই অনুব্রত মণ্ডলই এ বার ‘অন্য’ ভূমিকায়।

১৬ এপ্রিল, ২০১৪

উত্তরবঙ্গ

শিলিগুড়ির দুই সিপিএম নেতার রক্ষী প্রত্যাহার

দলের দুই নেতার দেহরক্ষী প্রত্যাহারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে শাসক দলকে বিঁধল সিপিএম। ভোটের সময়ে বাড়তি পুলিশকর্মী প্রয়োজন, এই যুক্তিতে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য এবং দার্জিলিং জেলা সিপিএমের কার্যনিবাহী সম্পাদক জীবেশ সরকারের সরকারি দেহরক্ষীদের গত সপ্তাহে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ-প্রশাসন।

১৬ এপ্রিল, ২০১৪

রাজ্য

টাকা তুলতে ব্যবসায়ী অপহরণের ছক কেএলও-র

বহু কোটি টাকার কারবার করেন, উত্তরবঙ্গের এমন জনা আষ্টেক ব্যবসায়ীর জন্য আচরণবিধি, বিশেষত লোকসভার ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের চলাফেরায় কিছু নিয়ন্ত্রণ আনার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গি সংগঠন কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন (কেএলও) ওই ব্যবসায়ীদের কাউকে অপহরণ করে মোটা টাকা মুক্তিপণ চাইতে পারে বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর।

১৬ এপ্রিল, ২০১৪

দক্ষিণবঙ্গ

চুঁচুড়ায় গুলি-পাল্টা গুলি, নিহত ১

পয়লা বৈশাখে রক্তমাখা সকাল দেখল চুঁচুড়া। গুলি করা হল এক যুবককে। জবাবে, আততায়ীদের এক জনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে গুলি করে মারল গুলিতে আহতের ভাইয়ের ‘গ্যাং’। হুগলির পুলিশ সুপার সুনীল চৌধুরী বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে আমাদের অনুমান, দুষ্কৃতীদের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জেরেই এই পরিণতি।

2
১৬ এপ্রিল, ২০১৪
বাঙালি মানেই...

বাঙালি কারে কয়?

সন্ধানে: মৃণাল সেন, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, অমিতাভ ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, মিঠুন চক্রবর্তী, নবনীতা দেব সেন, প্রীতম, গৌতম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, কবীর সুমন, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, সুমন দে, সুস্নাত চৌধুরী, গৌতম ভট্টাচার্য, শ্রীজাত। এই বিশেষ ক্রোড়পত্র পড়ার জন্য ‘বিনোদন’ বিভাগে ক্লিক করুন।

বিশেষ বিভাগ












a

আপনিই লিখুন

শুরু হল লোকসভা ভোট। কী ভাবছেন আপনারা? যেখানেই থাকুন না কেন, স্বদেশে ভোট দিতে আসুন বা না আসুন, কী চান আপনার এলাকার নবনির্বাচিত সাংসদের কাছ থেকে? নিজের এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব কী? আপনার ভাবনা-স্বপ্ন-ইচ্ছে বাংলা বা রোমান হরফে বাংলায় লিখে পাঠান আমাদের। নির্বাচিত লেখা প্রকাশ পাবে এই ওয়েবসাইটে। লেখার সঙ্গে আপনার সবিস্তার ঠিকানা ও কোন এলাকার জন্য লিখছেন তা জানাবেন। মেল করুন এই ঠিকানায়: loksabhavote@abp.in

16date

১৯৭৫

বহুল পঠিত ছোটদের পত্রিকা আনন্দমেলা প্রকাশিত হয়। ১৯৪০-এ আনন্দবাজার পত্রিকায় ছোটদের বিভাগ হিসেবে আনন্দমেলার জন্ম হলেও পূর্ণাঙ্গ পত্রিকা হিসেবে এর আত্মপ্রকাশ। ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকার শিরোনামাঙ্কন করেন সত্যজিত্ রায়। টিনটিন ও অ্যাসটেরিক্স এর অনুবাদ সর্বপ্রথম আনন্দমেলায় প্রকাশিত হয়।

উত্তরবঙ্গ
সম্পাদকীয়

শিলিগুড়িতে ভাইচুঙের জন্য ভোট চাইলেন দেব

চড়া রোদে দু’ঘণ্টার রোড শো-র শেষে দু’টি সভা। মঙ্গলবার দিনভর শিলিগুড়ি ও লাগোয়া জলপাইগুড়ি লোকসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট প্রচার করলেন টলিউড সুপারস্টার দেব।

এমসিসি কর্মীদের হেনস্থায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার নালিশ

কালিয়াচকে গত সোমবার বিকালে ভোটকর্মীদের হেনস্থার ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও অভিযুক্তদের এক জনকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। ভোটকর্মীদের একাংশ তাতে শঙ্কিত। তবে জেলা পুলিশ সুপার রূপেশ কুমার বলেন, ‘‘কিছুই হয়নি। গ্রেফতার করার মতো ঘটনাই ঘটেনি।”


তৃতীয়ের সন্ধানে: ক্ষমতা, মমতা, না সমতা?

দাদাঠাকুর (শরৎচন্দ্র পণ্ডিত) পালাকীর্তনের স্টাইলে ভোটের গান লিখেছিলেন। ‘আমি ভোটের লাগিয়া ভিখারী সাজিনু/ ফিরিনু গো দ্বারে দ্বারে।’ তাতে আবার আখর দিতে হত। ‘আমি ভিখারী না শিকারী গো!’ ‘আমি নেতা কি অভিনেতা, আহা মালুম করিবে কে তা?’ রোমান সেনেট থেকে ওয়াশিংটন ডিসি, তথা দিল্লির সংসদ ভবন পর্যন্ত সর্বত্রই, সর্বকালেই ভাল-মন্দ ব্যর্থ-সফল উদীয়মান-অস্তমান সব নেতাকেই অভিনয় করতে হয়।