৬ পৌষ ১৪২১ সোমবার ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ weather forecast সর্বোচ্চ : ২৬.০°C     সর্বনিম্ন : ১৩.৬ °C
Widgets Magazine

বদলা নিতেই কি খুন দুই পুলিশকর্মী

সংবাদ সংস্থা

২২ ডিসেম্বর, ২০১৪

বড়দিন কী, জানে না সান্তা গড়ার কারিগরেরা

সংবাদ সংস্থা

লাল মেঝে। লাল সিলিং। এমনকী জানলার পর্দাটাও লাল। এ বাড়ির মালিক কিন্তু কোনও কমরেড নন। বাড়িটি সান্তা ক্লজের। আর উত্তর মেরুতেও নয়, বাড়িটি চিন দেশের ছোট্ট গ্রাম ইউতে। সাংহাই থেকে প্রায় ৩০০ কিমি ভিতরে এই গ্রাম। যেখানে তৈরি হয় বিশ্বের বড়দিনের প্রায় ৬০ শতাংশ সরঞ্জাম। সান্তা ক্লজ, সান্তার লাল মোজা, পায়ের জুতো, ‘ক্রিসমাস-ট্রি’ বা এলিডি আলো হরেক জিনিস পাওয়া যাবে এখানে।

২২ ডিসেম্বর, ২০১৪

বদলার অভিযানে খতম আরও ২৮ জঙ্গি

সংবাদ সংস্থা

২১ ডিসেম্বর, ২০১৪

যা করেছি ক্ষমা কোরো, আট খুদের খুনে ধৃত মা

সংবাদ সংস্থা

উত্তর কুইন্সল্যান্ডের কেয়ার্ন্সে আট শিশু ও কিশোরকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে তাদের মাকেই গ্রেফতার করল কুইন্সল্যান্ড পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, আট শিশুকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহেই ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গোয়েন্দা অফিসার অ্যাসনিকার জানান, নিহতদের মধ্যে তিন নাবালিকার বয়স ১১ থেকে ১৪-র মধ্যে। আর চার নাবালকের বয়স ৫ থেকে ৯-এর মধ্যে। এদের মধ্যে রয়েছে ১৮ মাসের এক শিশুকন্যাও।

২১ ডিসেম্বর, ২০১৪

আগের মতোই থাকব, পণ পড়ুয়াদের

সংবাদ সংস্থা

ত্রাসের রেশ এখনও মেলায়নি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলের পড়ুয়ারা জানাল, মঙ্গলবারের তালিবানি হামলা তাদের জীবনে প্রভাব ফেলবে না। লেখাপড়া শুরু করবে তারা। খেলাধুলোও চলবে পাশাপাশি। এই হামলায় যে জীবনের কিছু বদলায়নি, তালিবানকে সে বার্তা দিতেই শপথ নিয়েছে জখম শিশুরা।

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

বাঁচতে চাই বলে হাত তুলতেই ছুটে এল গুলি

সংবাদ সংস্থা

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

জঙ্গি মদতের মাসুল পাকিস্তানের

নিজস্ব প্রতিবেদন

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

গায়ে ছিটকে আসছিল বন্ধুদের রক্ত

সংবাদ সংস্থা

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

শহিদ স্মরণে ফুলে ঢাকল সিডনির কাফে

সংবাদ সংস্থা

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

স্কুলের বারান্দায় বন্ধুদের রক্তাক্ত লাশ

সংবাদ সংস্থা

প্রাণপণে দৌড়চ্ছিল দুই বন্ধু। যে করেই হোক, স্কুলের পিছনের দরজা পর্যন্ত পৌঁছতে হবে। না হলে মৃত্যু নিশ্চিত। হঠাৎই ছুটে এল বুলেট। পর পর দু’টো। তবে গায়ে লাগল না ইরফানের। কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল দু’বারই। মঙ্গলবার পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলে জঙ্গি-তাণ্ডব থেকে স্রেফ বরাতজোরে বেঁচে ফিরল দুই ছাত্র ইরফান শাহ ও দানিয়েল। তবে তার পরেও কান্না থামছে না তাদের। পালানোর পথে তারা দেখে এসেছে স্কুলের বারান্দায় পড়ে থাকা বন্ধু, সহপাঠীদের রক্তাক্ত লাশ। কারও দেহে তিনটে, কারও শরীরে আবার চারটে গুলির দাগ।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

মুখে পুরে নিলাম টাই, যাতে শব্দ না হয়

ভীষণ যন্ত্রণা। মনে হচ্ছিল প্রাণ বেরিয়ে যাবে। দেখলাম দু’পায়েই হাঁটুর ঠিক নীচে ছোট গর্ত। রক্ত বেরোচ্ছে অঝোরে। আমার ইউনিফর্মও রক্তে ভিজে চুপচুপে। এ অবস্থায় পালাতে পারব না। তখনই শুনতে পেলাম, বন্দুকধারীদের এক জন আর এক জনকে বলছে, “আরে বেঞ্চের নীচে কত ছাত্র লুকিয়েছে! ওদের টেনে বের করে মার!” সব ওলোট-পালট হয়ে গেল। এ বার উপায়? একটা বুদ্ধি খেলল মাথায়। ভাবলাম মড়ার মতো চুপচাপ পড়ে থাকি। যদি ওরা আমাকে মৃত ভেবে আর গুলি না করে, তা হলে এ যাত্রা বেঁচে গেলেও যেতে পারি।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

ইরাকে হত ১০

বাগদাদের এক বাণিজ্যিক এলাকায় ও একটি সেনা চৌকিতে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০ জন। পুলিশ সূত্রের খবর, বাগদাদের ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মদাইন শহরের এক বাণিজ্যিক এলাকায় প্রথম বিস্ফোরণটি হয়। তাতে নিহত হয়েছেন ৪ জন। জখম অন্তত ৯। উত্তর বাগদাদের তাজি শহরতলিতে একটি দোকানের পাশে বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৩ জন। আহত ১১। সেই সঙ্গে বাগদাদেরই পশ্চিম শহরতলিতে রাস্তার পাশে একটি বোমা রাখা ছিল।

পড়ুন