চার দিনের মধ্যেই ফের বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তান। এ বার নিশানায় সিন্ধুপ্রদেশের সেহওয়ানে সুফি সন্ত লাল শাহবাজ কালান্দরের দরগা। নিহতের সংখ্যা ১০০ জন।

লাল শাহবাজ কালান্দরের দরগায় সুফি প্রথা মেনে একটি ‘ধামাল’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল আজ। ফলে জড়ো হয়েছিলেন অনেক ভক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, অনুষ্ঠান চলাকালীন দরগার মূল ফটক দিয়ে ঢোকে এক আত্মঘাতী। প্রথমে গ্রেনেড ছুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় সে। তার পরে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। বিস্ফোরণে জখমের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়।

করাচি থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে সেহওয়ানের এই দরগা বেশ প্রত্যন্ত এলাকায়। তাই কাছের বড় শহর হায়দরাবাদ, জামশোরো, মোরো, দাদু, নবাবশাহ থেকে অ্যাম্বুল্যান্স ও চিকিৎসক পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকার্য ও চিকিৎসায় সাহায্য করছে সেনা ও রেঞ্জার্স বাহিনী। আহতদের নবাবশাহে নিয়ে আসতে একটি সি১৩০ বিমান পাঠিয়েছে সেনা। ঘটনার পরে সরকারের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ওই বৈঠকে ‘বিদেশি মদতপুষ্ট’ সন্ত্রাসের কড়া হাতে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে ।

আরও পড়ুন: গুগ্‌লে চাকরি চাই, পিচাইকে চিঠি খুদের

সোমবার লাহৌরে পঞ্জাব প্রাদেশিক আইনসভার বাইরে মিছিলে বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি হামলার নয়া পর্ব।

সে দিনই কোয়েটায় একটি জঙ্গি হামলা রুখে দেয় বাহিনী। কিন্তু জঙ্গিদের রাখা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে নিহত হন বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াডের দুই কর্মী। আজও সেহওয়ানের হামলার পরেই পেশোয়ার ও মহমান্দ এজেন্সি এলাকায় হানা দিয়েছে জঙ্গিরা।

সোমবারের হামলার দায় নিয়েছিল পাক তালিবানের একটি শাখা। তাদের কয়েক জন সদস্যকে আজ খতম করেছে পাক কম্যান্ডো বাহিনী। আজ আবার আইএস দাবি করেছে, সেহওয়ানের হামলা তাদের কাজ।