সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী রবিবারই বিজেপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন অমিত শাহ। বুধবার দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। তার আগের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলের পদাধিকারী ও সংসদীয় বোর্ডের সদস্যদের নৈশভোজেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
বিজেপির পক্ষ থেকে এ দিন যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, তাতে বলা হয়েছে রবিবারই মনোনয়ন পেশ করা হবে। ওই দিন দুপুরে মনোনয়ন খতিয়ে দেখে নাম প্রত্যাহারের সময় ধার্য হয়েছে। যদি একাধিক ব্যক্তি বৈধ মনোনয়ন পেশ করেন, তা হলে নির্বাচন হবে সোমবার। তবে, অন্য কোনও নাম না এলে রবিবারই অমিত শাহকে দলের নতুন সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করে দেওয়া হবে। গত বার যশবন্ত সিনহাও মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। অমিত শাহকে ঠেকানোর জন্য বিহার নির্বাচনের পর লালকৃষ্ণ আডবাণী, যশবন্ত সিনহার মতো বিদ্রোহীরা সরব হয়েছিলেন। কিন্তু দলের মধ্যে তাঁদের নিরস্ত করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে তাঁরা যদি ফের মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠেন, যদি আর কোনও বিপত্তি না ঘটে, তা হলে অমিত শাহের সভাপতি হওয়াটা প্রায় নিশ্চিত।
এ বারে সভাপতি হলে এটাই হবে পূর্ণ মেয়াদের প্রথম দায়িত্ব। এত দিন রাজনাথ সিংহের অসমাপ্ত ইনিংস খেলছিলেন তিনি। বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী কোনও সভাপতি তিন বছর করে দুই দফায় সভাপতি হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আরও তিন বছরের জন্য সভাপতি হলে তাঁর মেয়াদ শেষ হবে ২০১৯ সালে। সেই বছরেই লোকসভা নির্বাচন। ফলে অমিত শাহের নেতৃত্বে পরের লোকসভা নির্বাচন করতে হলে তাঁকে আবার সভাপতি হতে হবে। বিজেপির মতে, সভাপতি নির্বাচনের আগে গোটা দেশের পঞ্চাশ শতাংশ রাজ্যে দলের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে হবে। সেটি ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।