Advertisement
E-Paper

দূরে সরে থাকছে তৃণমূল, বিজেপি

ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের সিমনা-তকমারি কেন্দ্রের আগামী উপনির্বাচনে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিল বিজেপি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অগস্ট ২০১৬ ০২:৩৬

ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের সিমনা-তকমারি কেন্দ্রের আগামী উপনির্বাচনে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিল বিজেপি।

বিজেপির ব্যাখ্যা, সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই এডিসি উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়া হল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেব জানান, ‘‘ওই এলাকায় আমরা দুর্বল। এ ছাড়াও রাজ্যে বাম-বিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তি যাতে দুর্বল না হয়ে যায় তাই দলের প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’’ একই কারণে তৃণমূল ওখানে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল। তৃণমূল নেতা সুদীপ রায়বর্মণ বলেন, ‘‘এ রাজ্যে বাম-বিরোধী ভোট যাতে বহু বিভক্ত না হয়, সে বিষয়ে তৃণমূল সচেতন। তাই এডিসির উপনির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’’

বিজেপি ও তৃণমূলের প্রার্থী না থাকায় পাহাড়ে বাম-বিরোধী উপজাতি সংগঠন আইপিএফটি এবং আইএনপিটির সুবিধা হয়ে গেল। এই দুই উপজাতি সংগঠনের মধ্যে আইপিএফটি ত্রিপুরা ভাগ করে ‘তুইপ্রাল্যান্ড’-এর দাবিদার। ত্রিপুরায় ২০১৫-র ভোটে সিপিএম এডিসি দখল করলেও, এখানে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিসেবে আইপিএফটি উঠে আসে।

রাজ্যের এডিসি এলাকায় বাম-বিরোধী শক্তি হিসেবে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ আইপিএফটির প্রভাব বাড়ছে। এই বাস্তব চিত্রটা ত্রিপুরার অ-বাম এবং বাম দলগুলি মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে। উল্লেখ্য, সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল, বিজেপি, এমনকী উপজাতি সংগঠন আইএনপিটি-ও ‘তুইপ্রাল্যান্ড’-এর দাবি সমর্থন করে না।

বিজেপি, তৃণমূলের প্রার্থী না দেওয়াকে অন্য ভাবে দেখছে সিপিএম। সিপিএমের অভিযোগ, ‘‘ত্রিপুরায় অশান্তি আমদানি করতে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে উস্কে দিচ্ছে বিজেপি এবং তৃণমূল।’’ দার্জিলিঙে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকে সমর্থন করেনি তৃণমূল, অথচ এ রাজ্যে আইপিএফটির মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তৃণমূল, এ অভিযোগ রাজ্যে সিপিএমের মুখপাত্র গৌতম দাশের।

tmc BJP INFT
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy