মরসুমের প্রথম তুষারপাতে বরফে ঢাকল ভূস্বর্গ
মরসুমের প্রথম তুষারপাতে ঢাকল ভূস্বর্গ কাশ্মীর। বরফ কুচিতে সেজেছে পথের ধারে চিরসবুজ পাইনও। যেন বরফের চাদরের তলায় ঘুমিয়ে পড়েছে কাশ্মীর। বরফা সাদা কাশ্মীরের ছবি রইল গ্যালারির পাতায়।
মরসুমের প্রথম তুষারপাতে ঢাকল ভূস্বর্গ কাশ্মীর। বরফ কুচিতে সেজেছে পথের ধারে চিরসবুজ পাইনও। যেন বরফের চাদরের তলায় ঘুমিয়ে পড়েছে কাশ্মীর। বরফা সাদা কাশ্মীরের ছবি রইল গ্যালারির পাতায়।
মঙ্গলবার রাত থেকেই লাগাতার তুষারপাত শুরু হয়েছে কাশ্মীর উপত্যকায়। ভারী তুষারপাতের কারণে বরফে ঢেকে গিয়েছে রাস্তাঘাট।
পিরপঞ্জল এবং গুলমার্গের বিস্তীর্ণ অংশে তুষারপাতের কারণে পারদ নেমেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। বৃহস্পতিবার উপত্যকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের প্রায় দু’ডিগ্রি নীচে।
গত রবিবার সকাল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত উপত্যকার বিভিন্ন অংশে বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গুলমার্গে ১৭.২ মিলিমিটার, বানিহালে ৭ মিলিমিটার, শ্রীনগরে ৪.৩ মিলিমিটার, কাটরায় ১০.৬ মিলিমিটার এবং জম্মুতে ৬.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হঠাৎ করে আসা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই আগামী কয়েক দিনও উপত্যকায় তুষারপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমবে তাপমাত্রাও। বৃহস্পতিবার গুলমার্গের তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৯.৮।
আরও পড়ুন:
তুষারপাতের কারণে শ্রীনগর-লে সংযোগকারী জাতীয় সড়কও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মুঘল রোড বরাবর পীর কি গালিতেও ভারী তুষারপাতের কারণে যান চলাচল বিপর্যস্ত।
সবচেয়ে ভারী তুষারপাত হয়েছে ডোডা, কিস্তওয়ার, রম্বন, কাঠুয়া, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায়।