প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত পর্ব, অর্থাৎ প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হতে চলেছে ২১ অক্টোবর থেকে। প্রায় ৪১ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য জেলাভিত্তিক এই সাক্ষাৎকার চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। মঙ্গলবার বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। উপনির্বাচনের কারণে বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও কোচবিহার—এই তিন জেলায় নিয়োগ আপাতত স্থগিত থাকছে বলেও জানান তিনি।

বৈঠক শেষে মানিকবাবু জানান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়ায় সাক্ষাৎকার শুরু হবে ২১ অক্টোবর থেকে। বাঁকুড়ায় ২২ তারিখ থেকে। আজ, বুধবার থেকেই আবেদনকারীদের এসএমএস মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে কবে, জেলার কোন কেন্দ্রে, কত নম্বর টেবিলে সাক্ষাৎকার

দেবেন তাঁরা।

মানিকবাবু জানিয়েছেন টেট উত্তীর্ণ যে-সব প্রার্থীরা পরে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য আলাদা করে আবেদন করছিলেন, তাঁদের সকলকেই ডাকা হবে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এ দিন বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলে দেখব, উপনির্বাচন সত্ত্বেও ওই তিনটি জেলায় সাক্ষাৎকার পর্ব অন্তত শেষ করে নেওয়া যায় কি না। তবে সাক্ষাৎকার হলেও, এখনই নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে না।’’ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত এবং অর্ধপ্রশিক্ষিত অর্থাৎ যাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েও শেষ হয়নি এখনও— সেই সমস্ত প্রার্থীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর পরে শূন্য পদ থাকলে প্রশিক্ষিত নয়, অথচ টেট পাশ করেছেন এমন প্রার্থীরা সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন পার্থবাবু।

উচ্চপ্রাথমিকের (পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি) ক্ষেত্রে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি স্কুল সার্ভিস কমিশন। পার্থবাবু অবশ্য জানান, প্রাথমিকের পর্ব মিটলেই এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।