আলোর উৎসবে ফিকে হয়নি তারকাদের জৌলুস। কেউ শাড়িতে অপরূপা, তো কেউ নজর কাড়লেন এথনিকে।
কে কেমন সাজলেন? কতটা ব্যস্ততাতেই বা কাটালেন ভূত চতুর্দশী?
শহরের একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। গোলাপি এথনিকে দ্যুতি ছড়ালেন নায়িকা।
ভূত চতুর্দশীতে শহরে ছিলেন না কৌশানী মুখোপাধ্যায়। পুজোর উদ্বোধন নিয়ে তাঁরও বেশ ব্যস্ততাটেই কাটল সময়টা। বেগুনি চুড়িদারে তিনিও হয়ে উঠেছিলেন নজরকাড়া।
ছোট্ট অগ্নিদেবকে নিয়ে প্রথম দীপাবলি রূপসা চট্টোপাধ্যায় ও সায়নদীপ সরকারের।
ও পার বাংলা থেকে দীপাবলির শুভেচ্ছা পাঠালেন জয়া আহসান।
মিমির দীপাবলির ‘ফেসটিভ লুক’ তৈরি এখন থেকেই। কেশসজ্জার ছবি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রীর কেশসজ্জাশিল্পী।
শহরের আরও একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দর্শকদের ভিড়। এখানের মধ্যমণি ঐন্দ্রিলা সেন। হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি পরে এলেন অভিনেত্রী। স্বল্পসাজেই অপরূপা নায়িকা।
পরিবার এবং কাছের মানুষদের সঙ্গে উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে ব্যস্ত শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন ‘বিনোদিনী’ রুক্মিণী মৈত্র।
পরনে লাল শাড়ি, পিঠে এক ঢাল খোলা চুল। পরিমিত রূপটানেই দীপ্তি ছড়ালেন পর্দার ‘ভাদু’ অর্থাৎ মিষ্টি সিংহ।
ঘরের দোরে চন্দন বাটা, ১৪ প্রদীপ জ্বালানো এবং ১৪ শাক খাওয়া, ভূত চতুর্দশীতে মায়ের শেখানো সবই নিষ্ঠা ভরে পালন করলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।
চলতি বছরই জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা দিয়েছেন অনন্যা গুহ। আলোর উৎসবটা কাটালেন মনের মানুষের সঙ্গেই।
ঝলমলে লেহঙ্গায় নজরকাড়া লহমা ভট্টাচার্য। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।