'আট কুঠুরি নয় দরজা বন্ধ হইল চিরতর...', অর্ণবের এই জনপ্রিয় গানটির কথাই মণ্ডপ ঘুরে দেখার সময় মাথায় এল। বেহালা দেবদারু ফটকের এ বারের থিম ১০/১০। অর্থাৎ ঘর।
কিন্তু এই ঘর কি কেবলই বসতবাড়ি? না।
দেবদারু ফটকে এলে বাইরে থেকে উল্টো হয়ে বেশ কিছু বাড়িঘর ঝুলতে দেখা যাবে।
ভিতরে ঢুকলেই নজর কাড়বে এক অতিকায় মাছ। তার পরই রয়েছে ভেঙে পড়া ঝাড়বাতি, শ্রীহীন রান্নাঘর। এর পরই আসে আসল চমক।
ঘর মানে তো কেবল বাড়ি নয়, ঘর মানে তো মনের ঘরও বটে! সেটাই যেন ধরা পড়ল মণ্ডপের একাংশে।
আর মৃত্যুর পর যেখানে ঠাঁই হয়, সেই কবরও তো ঘরই, কেবল তার কোনও জানালা নেই, যে ঘরে কোনও সঙ্গী থাকে না, যার দরজা বন্ধ হয়ে চিরতরে তা বন্ধই হয়ে যায়।
আর এর সঙ্গে অবশ্যই রয়েছে আসল একটি ঘর যেখানে বিছানা থেকে টিভি, মহামানবদের ছবি, ক্যালেন্ডার সহ আর যা যা জিনিস দেখা যায় মধ্যবিত্ত কোনও বাঙালি বাড়িতে।
আর তার পাশেই একটি আটচালায় বিরাজ করছেন দেবী তার চার সন্তান নিয়ে।
বেহালার এই পুজো মণ্ডপে এলে ঘর বা বাড়ির নানা রূপ, নানা জিনিস নজরে আসবেই।
দক্ষিণের, আরও ভাল করে বেহালার ঠাকুর দেখতে এলে এক বার এই পুজো মণ্ডপে আসতে পারেন। (‘আনন্দ উৎসব ২০২৫’-এর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক সহযোগী। প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘মারুতি সুজ়ুকি অ্যারেনা’। অন্যান্য সহযোগীরা হলেন ওয়েডিং পার্টনার ‘এবিপি ওয়ানস্টপ ওয়েডিং’, ফ্যাশন পার্টনার ‘কসমো বাজ়ার’, নলেজ পার্টনার ‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি’, ব্যাঙ্কিং পার্টনার ‘ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া’, কমফোর্ট পার্টনার ‘কার্লন’)। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।