দক্ষিণ কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পুজো মণ্ডপ হল খিদিরপুর পল্লী শারদীয়া।
এই ক্লাব এ বার ৮৪ বছরে পা রাখল। আর তাঁদের এ বারের থিম ‘মুখা’।
ভাবছেন কী এই ‘মুখা’? এটি আদতে উত্তরবঙ্গের মালদহ এবং দিনাজপুর অঞ্চলের এক ধরনের নৃত্যশৈলী ‘গম্ভীরা’র ধরন।
ক্লাবের এ বছরের থিমের ব্যাখ্যা করে খিদিরপুর পল্লী শারদীয়ার সহ-সম্পাদক সুদীপ রায় জানান “এই নাচটি ফসল বপন করা হয় যখন, তখন মুখা নৃত্যশিল্পীরাএটি করে থাকেন।”
তিনি এ দিন এও জানান, “মা চণ্ডীর পুজো যখন এঁরা করে তখন বুড়া-বুড়ি অর্থাৎ শিব-পার্বতীর বিয়ে দেওয়া হয়।”
সুদীপ রায়ের কথায়, “এই নৃতীয়শৈলীর বিষয়ে কলকাতার মানুষেরা সেই অর্থে তেমন ভাবে জানেন না। সেটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করছি।”
খিদিরপুর পল্লী শারদীয়ার এ বারের মণ্ডপ সজ্জায় ব্যবহৃত হচ্ছে হোগলা পাতা, বাঁশ।
এ ছাড়াও ওখানকার স্থানীয়রা যে জিনিসগুলি দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকেন সেগুলিও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
খিদিরপুর পল্লী শারদীয়ার এ বারের থিম শিল্পী হলেন শঙ্কর পাল। সৌমেন পাল হচ্ছেন প্রতিমা শিল্পী।
অভিজিৎ ভট্টাচার্য গোটা বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করেছেন, আবহ করেছেন দেবায়ন। এই মণ্ডপে লাইভ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে যা করবে মাঙ্গলিকা মুখা দল। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।