‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’ ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতে চাকরির জন্য প্রস্তুত করছে
উচ্চমাধ্যমিক তো শেষ। ফলাফলও বেরিয়ে গেছে। এর পর কী করবেন? কোন ক্ষেত্র নিয়ে পড়াশোনা করবেন? কিছু ভেবেছেন?
উচ্চমাধ্যমিকের পর ভারতের চিত্রটা মোটামুটি এই রকম। বহু বছর ধরে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি, গ্র্যাজুয়েশন বা সরকারি চাকরির প্রস্তুতির মতো পরিচিত পথই বেছে নেয়। নেবে নাই বা কেন! এই পেশাগুলোর গুরুত্বও যে অনেক। তবে কলকাতা ও পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এখন ধীরে ধীরে ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসছে।
এখন অনেকেই শুধু ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করছেন না, এমন কেরিয়ার খুঁজছেন যেখানে থাকবে ভাল চাকরির সুযোগ, ব্যক্তিত্ব বিকাশ, বিদেশে কাজের সুযোগ এবং কেরিয়ারে দ্রুত সাফল্য। এই সব কিছুই সত্যি করছে হসপিটালিটি নিয়ে পড়াশোনা।
আগে যে ক্ষেত্রকে শুধু হোটেল ম্যানেজমেন্ট হিসাবে দেখা হত, এখন সেই হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি বিশ্বের অন্যতম বড় ও বহুমুখী পেশাক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শুধু হোটেল নয়, এখন এই ক্ষেত্র থেকে সুযোগ মিলছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
কেন বদলাচ্ছে কেরিয়ার নিয়ে ভাবনা?
আগে যেখানে বাবা-মায়েদের প্রশ্ন ছিল “ছেলে-মেয়ে কোন বিষয় নিয়ে ডিগ্রি অর্জন করবে?” এখন সেখানে প্রশ্ন হচ্ছে “এই ডিগ্রি ভবিষ্যতে কেমন জীবন ও কেরিয়ার তৈরি করতে সাহায্য করবে?”
অনেক প্রচলিত কোর্সে ছাত্রছাত্রীদের দীর্ঘ সময় শুধু বইয়ের পড়াশোনা করতে হয়। কিন্তু হসপিটালিটি শিক্ষায় প্রথম বছর থেকেই হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ এবং ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা শেখানো হয়। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা খুব তাড়াতাড়ি ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায় ও চাকরির সম্ভাবনাও দৃঢ় হয়।
শুধু চাকরির জন্য নয়, এখনকার তরুণ প্রজন্ম এমন কেরিয়ার চায় যেখানে থাকবে ভাল জীবনযাত্রা, নতুন জায়গায় কাজের সুযোগ, আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পরিবেশ এবং কম বয়সেই আর্থিক স্বাধীনতা।
‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর বিবেক পাঠক
‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর বিবেক পাঠক বলেন, “এখনকার ছাত্রছাত্রীরা তথাকথিত ডিগ্রির বাইরে এমন কেরিয়ার চাইছে যেখানে আত্মবিশ্বাস, বিভিন্ন জায়গায় কাজের সুযোগ, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং আর্থিক স্বাধীনতা থাকবে। হসপিটালিটি শিক্ষা দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে কারণ এখানে হাতে-কলমে শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করে।”
শুধু হোটেল নয়, আরও অনেক ক্ষেত্রে কেরিয়ারের সুযোগ
অনেকেরই ধারণা, হসপিটালিটি পড়লে শুধু হোটেলে চাকরি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে এখন হসপিটালিটি স্নাতকদের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়োগ করা হচ্ছে, কারণ তাদের কথা বলার দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, প্রেজেন্টেশন, মানুষকে সামলানোর ক্ষমতা খুবই ভাল হয়।
আজকের দিনে হসপিটালিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা কাজ করছেন:
সাধারণ স্নাতক ডিগ্রির থেকে হসপিটালিটি নিয়ে পড়াশোনা কেন আলাদা?
ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা এখানে প্রথম বছর থেকেই ছাত্রছাত্রীরা পেতে পারে, যা অন্য ডিগ্রি কোর্সে সুযোগ থাকে না। অনেক বেশি হাতে-কলমে শেখার এবং বিদেশে গিয়ে ভাল আয়ের সুযোগ থাকে যা অন্য ডিগ্রি কোর্সে সীমিত।
ছাত্রছাত্রীদের লাইভ ক্লাস করাচ্ছেন শেফ জোসেফ উত্তম গোমস্
ব্যক্তিত্ব বিকাশ
হসপিটালিটি কোর্স ব্যক্তিত্বেরও বড় পরিবর্তন আনে। এখানে ছাত্রছাত্রীদের কথা বলার দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, এক সঙ্গে মিলে কাজ, আত্মবিশ্বাস এবং পেশাগত আচরণের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
ছোট শহর বা বাংলা মাধ্যমের মতো স্কুল থেকে আসা অনেক ছাত্রছাত্রীর জন্য হসপিটালিটি নিয়ে পড়াশোনা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর এবং নিজের একটি পরিচয় তৈরি করার বড় সুযোগ হয়ে উঠছে।
ইন্ডাস্ট্রির নিয়োগকারীরাও এখন এমন কর্মীকে বেশি গুরুত্ব দেন, যাদের টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করার ক্ষমতাও ভাল। সেই কারণেই হসপিটালিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের আজ সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বেশি চাকরিযোগ্যদের মধ্যে ধরা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে কলকাতার গুরুত্ব
খাবার ও সংস্কৃতির জন্য কলকাতার পরিচিতি অনেক পুরনো। এখন ধীরে ধীরে শহরটি পূর্ব ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ হসপিটালিটি নিয়ে পড়াশোনার কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠছে।
কলকাতার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন শুধু বইয়ের পড়াশোনার উপর নয়, বরং হাতে-কলমে শিক্ষা, ইন্টার্নশিপ, প্লেসমেন্ট এবং কথা বলার দক্ষতার উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা ভবিষ্যতে চাকরির জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’। ১৯৯৩ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবস্থিত। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি হাতে-কলমে শিক্ষা, ব্যক্তিত্বের বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের সুযোগকে গুরুত্ব দিয়ে হসপিটালিটি ক্ষেত্রে শিক্ষার একটি শক্ত ভিত তৈরি করেছে।
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উড়িষ্যা, অসম, মেঘালয় এবং পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাত্রছাত্রীরা কলকাতায় আসছেন হসপিটালিটি পড়তে এবং সফল কেরিয়ার গড়তে।
আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ, সহানুভূতি, পেশাদার আচরণ এবং সম্পর্ক তৈরি করার দক্ষতাই হসপিটালিটি শিক্ষার মূল ভিত্তি। এই কারণেই হসপিটালিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা শুধু হোটেল নয়, বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন।
পূর্ব ভারতের অনেক ছাত্রছাত্রীর কাছে এখন স্বপ্ন শুধু বাড়ির কাছাকাছি একটি চাকরি পাওয়া নয়। তারা এমন কেরিয়ার চাইছে যেখানে থাকবে নতুন অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন জায়গায় কাজের সুযোগ, আত্মবিশ্বাস, আর্থিক স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের সুযোগ। আর সেই যাত্রার শুরু অনেকের জন্য হচ্ছে কলকাতা থেকেই ‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’-এর হাত ধরে।
অ্যাডমিশনের জন্য নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ
যোগাযোগ করুন: ৯৬৭৪১১১১৭৭
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘এনআইপিএস ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।