Om Dayal Group of Institutions

চাকরির বাজারে শুধু ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়, ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে কী ভাবে প্রস্তুত করবেন?

প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আজকের চাকরির বাজারের বাস্তব ছবিটাও জানা জরুরি। বর্তমান সময়ে শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা দ্রুত বদলাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রভাবে সংস্থাগুলি এমন পেশাদারদের খুঁজছে, যাদের বইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ২০:৪০
Share:

ছবি সৌজন্যে: ওম দয়াল গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্

উচ্চমাধ্যমিক শেষ হওয়ার পর অনেকের মনেই একই প্রশ্ন ঘোরে, এবার কোন পথে এগোনো উচিত? চারপাশে নানা পরামর্শ। কেউ বলছেন ইঞ্জিনিয়ারিং, কেউ ম্যানেজমেন্ট, আবার কেউ প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনার কথা বলছেন। কিন্তু একটি প্রশ্ন ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে – শুধু একটি ডিগ্রি কি আজকের চাকরির বাজারে যথেষ্ট?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আজকের চাকরির বাজারের বাস্তব ছবিটাও জানা জরুরি। বর্তমান সময়ে শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা দ্রুত বদলাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রভাবে সংস্থাগুলি এমন পেশাদারদের খুঁজছে, যাদের বইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তাই এখন অনেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খোঁজ করছেন, যেখানে শুধু পরীক্ষার প্রস্তুতি নয়, ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্যও প্রস্তুত করা হয়।

এই কারণেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় অবস্থিত ‘ওমদয়াল গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্’ বিশেষ হয়ে উঠছে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, ম্যানেজমেন্ট ও প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব দেয়।

এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী একাধিক স্নাতক ও পেশাদার কোর্সে পড়ার সুযোগ রয়েছে। যেমন—

  • ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (বি.টেক.) - কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ব্যাচেলর অফ আর্কিটেকচার (বি.আর্ক.)
  • ব্যাচেলর অফ বিজ়নেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ)
  • ব্যাচেলর অফ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন (বিসিএ)
  • মাস্টার অফ আর্কিটেকচার (এম.আর্ক.)

ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্টের সব কোর্স ‘এআইসিটিই’ অনুমোদিত ও আর্কিটেকচারের কোর্সগুলি ‘কাউন্সিল অফ আর্কিটেকচার’-এর অনুমোদিত। প্রতিষ্ঠানটি ‘মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি’ (ম্যাকাউট)-এর অধিভুক্ত এবং ‘ন্যাক’-এর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।

পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে আধুনিক ল্যাবরেটরি, স্মার্ট ক্লাসরুম, আর্কিটেকচার স্টুডিও, কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এখানে হাতে-কলমে শেখান হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের ‘ট্রেনিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেল’ শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য প্রস্তুত করতে নিয়মিত স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ইন্টার্নশিপ, বিভিন্ন কর্মশালা ও প্লেসমেন্টের ব্যবস্থা করে।

এ ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ রয়েছে। এর ফলে ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, ম্যানেজমেন্ট ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ পান। শুধু চাকরি নয়, উচ্চশিক্ষা ও উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা হয়।

এর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধূলা, প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিযোগিতা, সেমিনার ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার এবং দলবদ্ধভাবে কাজ করার ক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

আজকের দিনে কলেজ নির্বাচন মানে শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং এমন একটি পরিবেশ বেছে নেওয়া, যেখানে শেখানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও তৈরি হয়। কারণ সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি যেমন বদলাচ্ছে, তেমনই বদলাচ্ছে চাকরির বাজারও। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি।

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘ওমদয়াল গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন