— প্রতীকী চিত্র।
এয়ারটেলের পরে এ বার মাসুল বৃদ্ধির বার্তা দিল ভোডাফোন আইডিয়া (ভি)। যার অর্থ, বাড়তে চলেছে ভি গ্রাহকদের খরচ। কত টাকা বাড়বে জানায়নি সংস্থা। তবে গত বছর টেলি শিল্প মহল একাধিক বার বলেছিল, ২০২৬-এ মাসুল ১২%-১৫% বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। সম্প্রতি বেশ কিছু মেয়াদে এয়ারটেলের বৃদ্ধির হার অবশ্য ৪%-৫% ছিল। ফলে ভি-ও তাই করবে নাকি তাদের হার আরও বেশি হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে গ্রাহক।
সংস্থার সিইও অভিজিৎ কিশোর জানান, শীঘ্রই বেশ কিছু মেয়াদে মাসুল বদল হবে। কয়েকটি ক্ষেত্রে দাম পরিবর্তিত হবে সামান্য। তবে সব ক্ষেত্রে বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাঁর বার্তা, সামান্য বদল গ্রাহকদের উপর তেমন প্রভাব ফেলবে না।
এক সময় অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছিল আর্থিক ভাবে ধুঁকতে থাকা ভি। ফলে প্রমাদ গোনেন গ্রাহকেরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বকেয়া মেটানোর সুবিধাজনক শর্ত দিয়ে সংস্থার পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। ভি নিজেও কিছু পুঁজি জোগাড় করে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। কিশোরের দাবি, দু’মাস ধরে ফের গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে। সংস্থার প্রতি মানুষের এই বিশ্বাস ইতিবাচক। উৎসাহজনক কর্মীদের জন্যও। টেলিকম নিয়ন্ত্রক ট্রাইয়ের তথ্যেও স্পষ্ট, প্রায় দু’বছর ধরে ভি নাগাড়ে গ্রাহক হারানোর পরে গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে তা সামান্য হলেও বেড়েছে। গত মাসে এক লক্ষ নতুন গ্রাহক সংযোগ নিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতে ২২,০০০। এখন মোট গ্রাহক ১৯.৮৪ কোটি।
এ দিকে, ট্রাইয়ের তথ্য অনুযায়ী গ্রাহক সংখ্যার ফারাক কমছে দেশে প্রথম দুই টেলিকম সংস্থা জিয়ো এবং এয়ারটেলের। ডিসেম্বর থেকে জিয়োর চেয়ে বেশি গ্রাহক পাচ্ছে এয়ারটেল। মার্চে এয়ারটেলের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা ছিল ৫০.১ লক্ষ আর জিয়োর প্রায় ৩২.৩ লক্ষ। ফলে জিয়োর মোট গ্রাহক ছুঁয়েছে ৪৯.৬৩ কোটি, এয়ারটেলের ৪৭.২৬ কোটি। এমন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই সাম্প্রতিক কালে দেখা যায়নি বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে