—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
রাজ্যে পালাবদলের পরে গোলমালের জেরে প্রায় দেড় দিন ইন্ডিয়ান অয়েলের বজবজ এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট (যেখানে সিলিন্ডারে রান্নার গ্যাস ভরা হয়) থেকে সিলিন্ডার নিয়ে কোনও গাড়ি বের হয়নি। ফলে কলকাতা শহর এবং সংলগ্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়। আশঙ্কা মাথা তোলে, গ্রাহকদের কাছে সিলিন্ডার পৌঁছতে দেরি হতে পারে। তবে সূত্র জানিয়েছে, গোলমাল মিটে গিয়েছে। বুধবার বিকেলে সব পক্ষের মধ্যে বৈঠকের পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তার পরেই সিলিন্ডার ভর্তি গাড়ি বেরোতে শুরু করেছে। ফলে রান্নার গ্যাস পাওয়া নিয়ে চিন্তার কারণ নেই।
সূত্রটির খবর, গত সোমবার এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ভোটে জিতে আসার পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার আচমকাই সমস্যার সূত্রপাত হয়। বেশ কিছু প্রাক্তন গাড়ির চালককে কাজে নিতে হবে বলে দাবি তোলেন স্থানীয় কিছু মানুষ। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি কর্মরত চালকদের ভয় দেখান। কর্মীরা জানান, এর জেরে মঙ্গলবার গোটা দিন এবং বুধবার দুপুর পর্যন্ত এলপিজি নিয়ে গাড়ি বাইরে বেরোয়নি। একেই পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির কারণে রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। তার উপর স্থানীয় সমস্যা সরবরাহে বাধা তৈরি করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা দানা বাঁধে। তড়িঘড়ি বুধবার বিকেলে পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় বিজেপি নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন ইন্ডিয়ান অয়েলের কর্তারা। তার পরেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
সংস্থার এক কর্তার দাবি, দেড় দিন ধরে কাজ হয়েছে। কিন্তু বাইরের গণ্ডগোলের জন্য গাড়ি বেরোতে পারেনি। এলাকায় পুলিশ প্রহরা রয়েছে। এ দিন বিকেল থেকেই স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি বেরোচ্ছে। এই ঘটনায় সিলিন্ডারের জোগানে সে রকম কোনও প্রভাব পড়বে না। এলপিজি ডিলারদের দাবি, প্রায় দেড় দিন সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ থাকলে সমস্যা হয়। তবে বৃহস্পতিবার তা এলে আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে