—প্রতীকী চিত্র।
দেশ জুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে কাজের বাজারে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার বণিকসভা মার্চেন্টস চেম্বারের সভায় আশঙ্কা ওড়ালেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন। তাঁর দাবি, এআই-র প্রভাব মূলত পড়বে হোয়াইট কলার চাকরিতে। অফিসে বসে প্রযুক্তিভিত্তিক উঁচু পদের এই ধরনের কাজ পশ্চিমের দেশগুলিতে (ইউরোপ ও আমেরিকা) অনেক বেশি। সেখানে চাকরিহারার সংখ্যা বাড়তে পারে। ভারতে বেশির ভাগ মানুষ মেধার সাহায্যে কাজ করেন। সেগুলি এআই-র করা সম্ভব নয়। ফলে এখানে প্রভাব হবে সীমিত।
কৃষ্ণন জানান, ভারতে বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম এআই সহায়ক ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতীয়রা আগ্রহভরে তা শিখছেন। তাই এর নেতিবাচক প্রভাব দেখছে না কেন্দ্র। ফলে এআই নিয়ন্ত্রণের কড়া ব্যবস্থাও আনতে চান না। কৃষ্ণনের কথায়, “আমরা এখন মধ্যপন্থা নিয়েছি। গোটা পরিস্থিতিতে নজর রাখছি। যদি প্রয়োজন হয় তা হলে আইন আনা হবে। কিন্তু সরকার অযথা কড়া আইন এনে এই প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলি বন্ধ করতে চায় না। কারণ, এখন এই প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে অনেক কিছু নতুন জিনিস তৈরির সুযোগ রয়েছে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে