—প্রতীকী চিত্র।
চলতি অর্থবর্ষের (২০২৬-২৭) দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক অর্থাৎ, জুলাই-সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রক। ফলে এ দফাতেও পিপিএফের মতো জনপ্রিয় প্রকল্পে সুদের হার থাকছে এখনকার মতোই ৭.১%। কিসান বিকাশ পত্র এবং এনএসসি-তে যথাক্রমে ৭.৫% এবং ৭.৭%। আর ১-৫ বছরের মেয়াদি জমা এবং পাঁচ বছরের রেকারিং-এ রয়ে গেল যথাক্রমে ৬.৯%-৭.৫% এবং ৬.৭ শতাংশে। মাসিক আয় প্রকল্পে মিলবে ৭.৪% সুদ। তবে সবচেয়ে বেশি সুদ পাওয়া যাবে সুকন্যা সমৃদ্ধি এবং সিনিয়র সিটিজ়েন্স সেভিংস স্কিমে। দু’টিতেই তার হার ৮.২%।
সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, মূলত বাংলায় স্বল্প সঞ্চয়ের গ্রাহক সংখ্যা এবং পুঁজি বহু রাজ্যের থেকে বেশি। তাই পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে এপ্রিল-জুনে সুদ স্থির রেখেছিল অর্থ মন্ত্রক। এ বার মূল্যবৃদ্ধি চড়ার ফলে আশঙ্কা বাড়ছে, আগামী দিনে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক সুদ বাড়াতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখে জুলাই-সেপ্টেম্বরের সুদও স্থির রাখা হল। ফলে সব মিলিয়ে টানা ন’টি ত্রৈমাসিকে (শেষ বার বদলেছিল ২০২৩-২৪ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে) স্বল্প সঞ্চয়ের সুদ রইল অপরিবর্তিত।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীদের কাছে ডাকঘর আমানত ও স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
এ ছাড়াও, পুরনো আয়কর বিকল্পে পিপিএফ এবং সুকন্যা সমৃদ্ধির মতো বেশ কিছু প্রকল্পে কর ছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায়। যা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার জন্যও মানুষের অন্যতম পছন্দের জায়গা। বহু প্রবীণ ও সুদ নির্ভর মানুষ মাসিক আয়ের জন্য এই প্রকল্পগুলি বাছেন। ফলে সেগুলিতে সুদের ছাঁটাই না হওয়া স্বস্তি দেবে আমজনতাকে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে