—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যে ২০১০-১১ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত বাণিজ্যকর আদায় বেড়েছে চার গুণেরও বেশি। মোট আদায় ছুঁয়েছে ৬৬.৫ হাজার কোটি টাকা। জানিয়েছে, বাণিজ্যকর দফতরের অফিসারদের সংগঠন সিটিডিওএ। তবে সংগঠনের সম্পাদক দেবাশিস ভট্টাচার্যের অভিযোগ, কর আদায়ে সফল হয়েও অন্য অনেক দফতরের অফিসারদের থেকে কম বেতন পাচ্ছেন তাঁরা।
দেবাশিসের দাবি, ‘‘রাজ্য স্তরে বাণিজ্যকর ডিরেক্টরেটের অফিসারেরা অন্যান্য দফতরের মতো ডব্লিউবিসিএস দিয়েই নিযুক্ত হন। রাজ্যের মোট করের ৬৫% আদায় করেন। আশা করি, রাজ্য বেতন বৈষম্য মেটাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা করবে।’’
সম্প্রতি সংগঠনটির সুবর্ণ জয়ন্তী বছর উদ্যাপনের সূচনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে রাজ্যের অর্থ দফতরের স্বাধীন ভারপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, পশ্চিমবঙ্গে যে পরিমাণ জিএসটি আদায় হয়েছে, তা অন্য কোথাও হয়েছে বলে জানা নেই। এই কৃতিত্ব দফতরের কর্মী-অফিসারদের। তবে তাঁর অভিযোগ, জিএসটি খাতে সংগৃহীত করের বড় অংশ এখনও মেটায়নি কেন্দ্র। আগামী এক বছর বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি পালিত হবে, জানান সিটিডিওএ সভাপতি নন্দিনী মজুমদার।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে