—প্রতীকী চিত্র।
বাণিজ্যের খরচ কমানো, দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি এবং রফতানি বৃদ্ধি জরুরি বলে মনে করছে বাণিজ্য উপদেষ্টা জিটিআরআই।সেই লক্ষ্য পূরণেই আমদানি শুল্ককে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিল তারা। আর্জি জানাল শিল্পের কাঁচামালে আমদানি শুল্ক শূন্যে নামানো এবং বিপ্রতীপ শুল্ক কাঠামো বা ইনভার্টেড ডিউটি স্ট্রাকচার (মূল পণ্যের থেকে যখন কাঁচামালে জিএসটি বেশি)তুলে দেওয়ারও।
একই কারণে আসন্ন বাজেটে বিভিন্ন বৈদ্যুতিন পণ্যের ক্যামেরা মডিউল, ডিসপ্লে অ্যাসেম্বলি, কানেক্টরের মতো যন্ত্রাংশের মূল আমদানি শুল্ক কমানো এবং দেশীয় উৎপাদনে জোর দিতে করে সুরাহা-সহ একাধিক দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সংগঠন এমএআইটি। তবে একই সঙ্গে বার্তা, আমদানি-নির্ভরশীলতা থাকলে বিশ্ব জোড়া জোগানশৃঙ্খলের সমস্যা এবং বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রভাব বেশি পড়ে দেশের অর্থনীতিতে। তাই উৎপাদন বাড়ানো দরকার। সে জন্য উৎপাদন ভিত্তিক আর্থিক উৎসাহ প্রকল্পের (পিএলআই) মেয়াদ বৃদ্ধিরও সওয়াল করেছে তারা।
উল্লেখ্য, আমেরিকার ৫০% শুল্কের ধাক্কায় সেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারতের রফতানি। তাতে আঘাত করেছে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালানো সব দেশের উপরে ওয়াশিংটনের ২৫% শুল্ক। বিশ্ব জুড়ে ভূ-রাজনৈতিক সমস্যাও কঠিন করেছে বাণিজ্যের পথ।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে