— প্রতীকী চিত্র।
বিমায় অনুমোদন ছাড়াই ১০০% প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নি (এফডিআই) নিয়ে শনিবার চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থ মন্ত্রক। গত ডিসেম্বরে এ জন্য ‘সবকা বিমা সবকি রক্ষা’ শীর্ষক বিমা সংশোধন বিলটি পাশ হয়েছিল সংসদে। তার পরে, রাষ্ট্রপতির সায় পেয়ে সেটি আইনে পরিণত হয়। ফেব্রুয়ারিতে যার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। এই আইনের ফলে ভারতে বিমা ক্ষেত্রে এফডিআই-এর হার ৭৪% থেকে বাড়িয়ে ১০০% করার পথ খুলেছিল।
পাশাপাশি, আজ এ দেশে চিনা অংশীদারি থাকা সংস্থাগুলির লগ্নির নিয়মও শিথিলের বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে কেন্দ্র। যেখানে কোনও বিদেশি সংস্থায় চিন বা হংকংয়ের সংস্থা বা ব্যক্তির ১০% পর্যন্ত শেয়ার থাকলে ভারতে যে সমস্ত ক্ষেত্রে সরাসরি এফডিআই-এর সুযোগ রয়েছে, সেগুলিতে তারা পুঁজি ঢালতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার থেকেই এই নিয়ম চালু হয়েছে। গত মার্চে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সায় দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই দুই নতুন নিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদেশি মুদ্রা পরিচালন আইনের সংশোধনীর বিজ্ঞপ্তিও আজ জারি করেছে সরকার।
শনিবার অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, কোনও বিমা সংস্থা, ব্রোকার-সহ মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষেত্রে এফডিআই-এর নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বিমা নিগমে (এলআইসি) সরাসরি প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নির সীমা বাঁধা হয়েছে ২০ শতাংশে। এর আগে কেন্দ্রের দাবি ছিল, বিমায় বিদেশি লগ্নি বাড়লে মাথা তুলবে প্রতিযোগিতা, তার সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। যদিও বিমার মতো ক্ষেত্রে বিদেশি লগ্নি বাড়লে সংস্থাগুলির মুনাফার রাস্তা চওড়া হবে এবং আমজনতার আদতে কোনও সুরাহা হবে না বলে দাবি বিরোধী-সহ বিভিন্ন মহলের।
এ দিকে, এত দিন কোনও বিদেশি সংস্থায় ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত থাকা দেশগুলির কোনও ব্যক্তি বা সংস্থার একটি শেয়ার থাকলেও, তাদের এ দেশে লগ্নি করার জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে কেন্দ্রের অনুমোদন নিতে হত। সেই নিয়ম শিথিল করেছে সরকার। জানানো হয়েছে, এ বার থেকে ১০% পর্যন্ত অংশীদারি থাকলে তারা সরাসরি লগ্নি করতে পারবে। তবে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত রয়েছে, এমন কোনও দেশে যদি সংস্থাটি নথিভুক্ত হয়, তা হলে তাদের জন্য এই শিথিল নিয়ম কার্যকর হবে না।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে