Indian Economy

বিদেশি লগ্নির মাত্রাছাড়া প্রস্থানে শঙ্কা

ফলে প্রশ্ন উঠছে, মোদী সরকার ভারতের অর্থনীতি মজবুত বলে দাবি করলেও আদতে পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বিদেশি লগ্নিকারীদের আস্থা কমছে কেন? ইরান যুদ্ধের প্রভাব মূলত জ্বালানির বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেই কি?

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ০৬:১৮
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

ভারতের শেয়ার বাজার থেকে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলির পুঁজি তুলে নেওয়ার গতি আশঙ্কাজনক পর্যায় পৌঁছেছে বলেই মনে করছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের মতে, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের। এনএসডিএল-এর পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলতি বছরের মাত্র চার মাসে এ দেশের বাজারে শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ১.৯২ লক্ষ কোটি টাকা তুলেছে ওই সব সংস্থা। যা নজিরবিহীন। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করাচ্ছে, গত বছরের ১২ মাসে লগ্নি প্রত্যাহারের অঙ্ক ছিল ১.৬৬ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু এ বছরের মাত্র চার মাসেই পুঁজি হারাতে হয়েছে তার থেকে অনেক বেশি। ফলে চিন্তা বাড়ছে। শুধু এপ্রিল ধরলে, হারানোর অঙ্ক প্রায় ৬০,৮৪৭ কোটি। গত চার মাসের মধ্যে একমাত্র ফেব্রুয়ারিতে বিদেশি সংস্থাগুলি নিট হিসেবে এখানে ২২,৬১৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।

ফলে প্রশ্ন উঠছে, মোদী সরকার ভারতের অর্থনীতি মজবুত বলে দাবি করলেও আদতে পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বিদেশি লগ্নিকারীদের আস্থা কমছে কেন? ইরান যুদ্ধের প্রভাব মূলত জ্বালানির বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেই কি? কারণ, ভারত তেল-গ্যাসের ক্ষেত্রে বিশ্ব বাজার নির্ভর। তার উপর হরমুজ় প্রণালী পুরো বন্ধ থাকার কারণে অন্যান্য শিল্প পণ্য বা পণ্যের কাঁচামালের আমদানি-রফতানিও ধাক্কা খাচ্ছে। কৃষিতে সমস্যার ইঙ্গিত দিয়ে জোগান সঙ্কটে ভুগতে শুরু করেছে সার ক্ষেত্র। একাংশের দাবি, আমেরিকায় আপাতত সুদ কমছে না। ফলে বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলি ভারতের মতো সম্ভাবনাময় বাজারে ঝুঁকি নেওয়ার বদলে ওই উন্নত দেশের বন্ডে বিনিয়োগ করাকে বেশি নিরাপদ মনে করছেন। বিশেষত ভূ-রাজনৈতিক সমস্যার জেরে এ দেশে যেহেতু জ্বালানির দাম বাড়ছে। ফের মূল্যবৃদ্ধির চড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন