Tea Auction

নিলামকেন্দ্রের মাধ্যমে চা বিক্রিতে আপত্তি, নিয়ম প্রত্যাহারে দরবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে

অসম বটলিফ টি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, নর্থ ইস্টার্ন টি অ্যাসোসিয়েশন, ভারতীয় চা পরিষদ ও নর্থ বেঙ্গল টি প্রডিউসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন মিলে উত্তর ভারতের প্রায় ৬০% চা উৎপাদনের প্রতিনিধিত্ব করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৫
Share:

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।

নিলাম কেন্দ্রের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক ভাবে চা বিক্রির নিয়ম প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আর্জি জানাল অসমের চারটি চা সংগঠন। আর্জি, কীভাবে বিক্রি করা হবে তার বিকল্প পথের মধ্যে পছন্দেরটি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতাও যেন দেওয়া হয় তাদের।

অসম বটলিফ টি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, নর্থ ইস্টার্ন টি অ্যাসোসিয়েশন, ভারতীয় চা পরিষদ ও নর্থ বেঙ্গল টি প্রডিউসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন মিলে উত্তর ভারতের প্রায় ৬০% চা উৎপাদনের প্রতিনিধিত্ব করে। তারাই যৌথ স্মারকপত্র জমা দিয়ে দাবি করেছে, নিলাম মারফত চা বিক্রির খরচ বহু ক্ষেত্রে উৎপাদকদের মুনাফার চেয়েও বেশি হয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যবসা লোকসানের মুখে পড়ছে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও ২০২৫-এর অক্টোবরে জারি সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছিল, উৎপাদকদের ১০০% ডাস্ট গ্রেড চা ও বছরে মোট উৎপাদিত চায়ের অন্তত ৫০% নিলাম কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রি বাধ্যতামূলক। সেই নির্দেশই সংশোধনের দাবি তুলেছেচার সংগঠন। অভিযোগ, “এতে লেনদেনের খরচ বেশি ও বিক্রির সময়ও দীর্ঘ। প্রতি কেজি বিক্রির খরচ প্রায় ১০ টাকা, যা গড় বিক্রয়মূল্যের প্রায় ৫%। এমনকি বহু সময় বাগানগুলির মুনাফাকে ছাড়িয়ে যায়।’’ তাদের দাবি, বাজারের হাল অনুযায়ী নিলাম বা সরাসরি বিক্রির মধ্যে বিকল্প বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ছাড় বা বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা থাকাও জরুরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন