প্রত্যক্ষ বিপণন নিয়ে নির্দেশিকা

অবশেষে ভারতে রক্ষাকবচ পাচ্ছে অ্যামওয়ে, টাপারওয়্যার, ওরিফ্লেম-এর মতো প্রত্যক্ষ বিপণন (ডিরেক্ট সেলিং) সংস্থা। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে সোমবার এক নির্দেশিকা প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:১৫
Share:

অবশেষে ভারতে রক্ষাকবচ পাচ্ছে অ্যামওয়ে, টাপারওয়্যার, ওরিফ্লেম-এর মতো প্রত্যক্ষ বিপণন (ডিরেক্ট সেলিং) সংস্থা। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে সোমবার এক নির্দেশিকা প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান।

Advertisement

বেআইনি অর্থ লগ্নি সংস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বিপণনের ফারাক স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়। যাতে প্রত্যক্ষ বিপণনের আড়ালে ওই সব লগ্নি সংস্থাগুলির মতো পিরামিড ধাঁচে ব্যবসা ও একই প্রকল্পে একাধিক স্তরে টাকার হাতবদল করা না যায়। আইনি জটিলতা এড়াতে যে-দাবি বেশ কিছু দিন ধরেই জানিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট শিল্প।

রাজ্যগুলিকে ইতিমধ্যেই পাঠানো এই নির্দেশিকায় প্রত্যক্ষ বিপণনের সংজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি জানানো হয়েছে এতে যুক্ত সংস্থাগুলির কী কী করা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে আছে—

Advertisement

• সংস্থার আইন মেনে নথিভুক্তি

• এজেন্টদের সঙ্গে চুক্তি করা ও তাদের কাছ থেকে এন্ট্রি ফি না-নেওয়া

• বিক্রি না-হওয়া পণ্য ফেরানো

• ক্রেতার ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা

• অভিযোগ শুনতে একটি ক্রেতা সুরক্ষা কমিটি তৈরির ব্যবস্থা

প্রসঙ্গত, পিরামিড ধাঁচে ব্যবসা বলতে বোঝায় বাড়তি সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে ধাপে ধাপে ব্যবসা ছড়ানো। যেখানে সুবিধাগুলি আসলে উপরের ধাপে থাকা ব্যক্তিরা ভোগ করেন বলে অভিযোগ।

ভারতে প্রত্যক্ষ বিপণন ব্যবসা গত কয়েক বছর ধরেই বিতর্কের মুখে। ‘পিরামিড’ ধাঁচে ব্যবসার অভিযোগে মার্কিন বহুজাতিক অ্যামওয়ে-র শীর্ষ কর্তাদের গ্রেফতারও করে পুলিশ। প্রত্যাশিত ভাবেই নির্দেশিকাকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যা‌মওয়ে-র মতো প্রত্যক্ষ বিপণন সংস্থা। তারা ভারতে এ পর্যন্ত ৬০০ কোটি টাকা লগ্নি করেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement