— প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত রফতানি বাণিজ্যকে চাঙ্গা করতে তাদের জন্য চালু উৎসাহ প্রকল্পে সুবিধা বাড়াবে কেন্দ্র। এ জন্য এক দিকে সেগুলির মেয়াদ বাড়ানো হবে, অন্য দিকে বাড়ানো হবে আর্থিক বরাদ্দ। একাধিক সূত্রের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশেষত রফতানিকারী শুল্ক সংক্রান্ত সুবিধা পান, এমন সব প্রকল্পকেই আরও কার্যকরী করে তোলা হবে। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থ এবং বাণিজ্য মন্ত্রকের কাছে জানতে চাওয়া হলেও, তারা উত্তর দেয়নি।
দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) এক পঞ্চমাংশই রফতানি থেকে আসে। এ কথা জানিয়ে সংবাদ সংস্থাটির দাবি, যুদ্ধের জেরে ভারতের রফতানি কমেছে ৭.৪%। প্রায় ৩০টি পণ্যের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আবর আমিরশাহির মতো দেশে ধাক্কা খেয়েছে বাণিজ্য।
রফতানিকে উৎসাহ দেওয়ার প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম ‘রেমিশন অব ডিউটিজ অ্যান্ড ট্যাক্সেস অন এক্সপোর্ট প্রডাক্টস’ (রডটেপ)। যার আওতায় কৃষি, এঞ্জনিয়ারিং পণ্য, বস্ত্র-সহ ১০,০০০টি পণ্যে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। রফতানির জন্য তৈরি পণ্যের কাঁচামাল কিনতে যে শুল্ক রফতানিকারীরা দেন, ওই প্রকল্পের মাধ্যমে তা তাঁরা ফেরত পান। সূত্রের দাবি, এই রডটেপ ধরনের শুল্ক ভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্পেই বাড়তি সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা কেন্দ্রের।
ইইপিসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং নিপা এক্সপোর্টস হাউসের ডিরেক্টর রাকেশ শাহ বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ-সহ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত বেশ কিছু জিনিসে জিএসটি নেই। কিন্তু ওই সব পণ্যে রাজ্য বা কেন্দ্র রফতানিকারীদের থেকে শুল্ক আদায় করে। তা ফেরতের ব্যবস্থা রয়েছে রডটেপ-এ। বরাদ্দ ১০০ কোটি ডলার। প্রকল্পটি আগামী সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। কেন্দ্র তার মেয়াদ বাড়ালে রফতানিকারীরা উপকৃত হবেন। সূত্রের খবর, প্রকল্পটি আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে তাতে বরাদ্দ অর্ধেক করা হয়েছিল। আশা, এ বার সেই অঙ্কও বাড়তে পারে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে