মূল্যবৃদ্ধি ৩ শতাংশে নামলে ২০১৯-এর এপ্রিলের পরে তা হবে সর্বনিম্ন। —প্রতীকী চিত্র।
খুচরো মূল্যবৃদ্ধি মাথা নামাতে শুরু করেছে আগেই। এপ্রিলে হয়েছে ৩.১৬%। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সমীক্ষা বলছে, তা মে মাসে নেমে আসতে পারে ৩ শতাংশে। সত্যিই সেটা হলে, সেই হার হবে ছ’বছরে সব থেকে কম। তা ঘটল কি না, জানা যাবে কাল, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান প্রকাশের পরে।
দীর্ঘ দিন মূল্যবৃদ্ধিকে ঠেলে উপরে তুলে রেখেছিল খাদ্যপণ্যের চড়া দাম। বাজারহাটে সেই দাম কতটা কমেছে, তাই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ক্রেতা-সহ সংশ্লিষ্ট মহলের অভিযোগ, মাঝেমধ্যে কিছু আনাজ কম দামে পাওয়া গেলেও, বহু বাজারে স্থায়ী ভাবে দাম সস্তা থাকছে না। দুধ, ডিম ইত্যাদি আরও বেড়েছে। তবে এপ্রিলে কেন্দ্রের খাতায় খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নেমেছে বেশ খানিকটা। সমীক্ষা বলছে, তা আরও কমবে। যা খুচরো মূল্যবৃদ্ধিকে নীচে নামতে সাহায্য করবে।
৫-৯ জুন ৫০ জন অর্থনীতিবিদকে নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল রয়টার্স। সেখানেই আগের বছরের নিরিখে এই পূর্বাভাস। মূল্যবৃদ্ধি ৩ শতাংশে নামলে ২০১৯-এর এপ্রিলের পরে তা হবে সর্বনিম্ন। একাংশ অবশ্য মনে করাচ্ছেন, গত মাসে দেশের বড় অংশে তাপপ্রবাহ চলায় খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। তাই পরিসংখ্যান প্রকাশের আগে স্বস্তি নেই। অন্য অংশের মতে, ভাল চাষ ও দ্রুত আসা বর্ষা ঝুঁকি কমিয়েছে। বস্তুত, মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে লাগাতার বাড়াতে থাকা সুদ সমস্যায় ফেলেছিল ঋণগ্রহীতাদের। এখন সুদ কমিয়ে চাহিদা এবং লগ্নি বাড়াতে চায় আরবিআই। লক্ষ্য, শ্লথ হওয়া আর্থিক বৃদ্ধিতে জ্বালানি ঢালা। সমীক্ষায় দাবি, মে মাসে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধিও ১৪ মাসের সর্বনিম্ন হয়ে হবে ০.৮০%। এপ্রিলে ছিল ০.৮৫%।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে