Strait of Hormuz

হরমুজ় খোলায় আশার আলো, ছন্দে ফিরছে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি

গত দেড় মাসে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে এলপিজি-র জোগান ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছিল গ্রাহকদের মধ্যে। তাতে ‘প্যানিক বুকিং’ শুরু হয়। দিনে তার সংখ্যা ছোঁয় ৮৭-৮৮ লক্ষ। তা-ই এ বার কমেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪৬
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

এক দিকে হরমুজ় প্রণালী খুলে যাওয়া। অন্য দিকে দেশে রান্নার গ্যাস (এলপিজি) বুকিংয়ের সংখ্যা কমে আসা। শুক্রবার এই জোড়া কারণ তুলে ধরেই রান্নার গ্যাসে স্বস্তি ফিরছে দাবি করল মোদী সরকার। আশ্বাস দিল পরিস্থিতি ছন্দে ফেরার। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানান, দেশে দৈনিক সিলিন্ডার বুকিং-এর সংখ্যা স্বাভাবিক স্তরে ফিরেছে। যা মোটামুটি ৪৬-৫০ লক্ষ।

গত দেড় মাসে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে এলপিজি-র জোগান ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছিল গ্রাহকদের মধ্যে। তাতে ‘প্যানিক বুকিং’ শুরু হয়। দিনে তার সংখ্যা ছোঁয় ৮৭-৮৮ লক্ষ। তা-ই এ বার কমেছে। সুজাতা এ দিনও ফের জানিয়েছেন, এলপিজি ও পেট্রল-ডিজ়েল যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আতঙ্কের কারণ নেই। কেন্দ্র পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। দেশের মধ্যে এলপিজি উৎপাদন দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হয়েছে। হরমুজ় সম্পূর্ণ খুলে যাওয়ার কারণেও বড় কোনও সমস্যা হবে না।

ইন্ডেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর্সদের পক্ষে বিজন বিশ্বাসও জানান, আশঙ্কা বা ‘প্যানিক বুকিং’ প্রায় বন্ধ হয়েছে। তবে আগে বুক করা গ্যাস সিলিন্ডার জোগাতে আরও দিন দশেক লাগবে। নতুন সমস্যা মাথা না তুললে এ মাসের শেষেই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারে। যদিও তাঁর দাবি, এখনও গ্রাহকদের একাংশ ‘কেওয়াইসি’ বা আধারভিত্তিক নথিভুক্তি করেননি। ফলে ‘সন্দেহজনক’ গ্রাহক থাকতে পারেন। পাশাপাশি, সুজাতা জানান, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গনার মতো বেশ কিছু রাজ্যে গত দেড় মাসে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে অটো এলপিজি বিক্রি। ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক ১৭৭ টন বিক্রি হত। এ মাসে বেড়ে হয়েছে ২৯৬ টন। তেল সংস্থা সূত্রের দাবি, এতটা বিক্রি বৃদ্ধি প্রমাণ করে এই রাজ্যগুলিতে কত অটো বেআইনি ভাবে রান্নার এলপিজি ব্যবহার করত। আশা করা যায় আগামী দিনে জোগানে আর সমস্যা হবে না।

খতিয়ান

মার্চে এক সময় দিনে সিলিন্ডার বুকিং ছুঁয়েছিল ৮৭-৮৮ লক্ষ। যা ‘প্যানিক বুকিং’ হওয়ার লক্ষণ।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আগে তা থাকত ৪৫-৪৮ লক্ষের আশেপাশে।

গত এক-দু’দিনে বুকিং নেমেছে ৫০ লক্ষের নীচে।

আমদানির পাশাপাশি, দেশে এলপিজি উৎপাদন দেড় মাসে বেড়েছে ৫০%।

বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে অবশ্য চাহিদা তেমন কমেনি। কারণ চাহিদার ৭০% দেওয়া হচ্ছে।

অটো এলপিজি বিক্রির হার দু’মাসে বেড়েছে দৈনিক প্রায় ১৩০ টন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন