ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে এ বার মিশে যাচ্ছে ভারতে কেএফসি, পিৎজ়া হাট, টাকো বেলের মতো চটজলদি খাবারের ব্র্যান্ডের পরিচালনকারী দুই সংস্থা স্যাফায়ার ফুডস ও দেবযানী ইন্টারন্যাশনাল। এখন তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগাভাগি করে ব্যবসা চালায়। এ বার থেকে চালাবে একটি সংস্থা হিসেবে। নতুন সংস্থার হাতে থাকবে ভারতে ৩০০০টিরও বেশি বিপণি। ব্যবসার মোট অঙ্ক হবে ৮০০০ কোটি টাকার বেশি। নতুন সংস্থার নাম ঘোষণা না হলেও, তা সম্ভবত দেবযানী ইন্টারন্যাশনাল হবে বলেই খবর সংশ্লিষ্ট মহলের। ভারত ছাড়াও তাদের ব্যবসা থাকবে নাইজেরিয়া, নেপাল, তাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায়।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সংযুক্তি এমন একটা সময় হচ্ছে, যখন ভারতে চটজলদি খাবারের রেস্তরাঁগুলির (কুইক সার্ভিস রেস্তরাঁ) ব্যবসা খুব একটা ভাল হচ্ছে না। গত তিন-চার বছর ধরে মোটের উপর সংস্থাগুলির খরচ বাড়ছে, আর অন্য দিকে লাভের অঙ্ক কমছে। যার জেরে ম্যাকডোনাল্ডস, ডমিনোজ়ের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের ব্যবসা পরিচালনকারী সংস্থাগুলির সঙ্গেই ধাক্কা খেয়েছে কেএফসি ও পিৎজ়া হাটের পরিচালনকারী সংস্থাগুলিও। তার উপরে দেশ জুড়ে বিভিন্ন ছোট ছোট সংস্থা তুলনায় কম দামে পিৎজ়া-সহ চটজলদি খাবার এনে বড় ফুড চেনগুলির সঙ্গে পাল্লা দিতে শুরু করেছে। সেই বাজারে টিকে থাকতে আবার খাবারের দাম কমাতে হচ্ছে দেবযানী এবং স্যাফায়ারের মতো সংস্থাকে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাদের মুনাফার উপরে।
স্যাফায়ার ফুডসের ডিরেক্টর সুমিত নারাং এ দিন জানিয়েছেন, দুই সংস্থার সংযুক্তিকরণের পরে ভারত-সহ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে তাদের যে ব্র্যান্ডগুলি রয়েছে, সেগুলির সবক’টিরই ব্যবসা বাড়বে বলে আশা করছেন তাঁরা। আর কেএফসি ও পিৎজ়া হাটের মূল সংস্থা ইয়াম ফুডসের সিএফও রঞ্জিত রায় বলেন, ‘‘এই দুই সংস্থার সংযুক্তিকে আমরা স্বাগত জানাই। সামগ্রিকভাবে ব্যবসা বাড়াতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বছরের শুরুতে এই সিদ্ধান্ত সংস্থা দু’টির পক্ষে ইতিবাচক।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে