শহরে ব্যবসার নতুন কৌশল মামা-মিয়ার

দেশি-বিদেশি আইসক্রিম সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দিতে এ বার শহরের ছোট-বড় বিপণিতে ‘জেলাটো’ বিক্রি করছে স্থানীয় সংস্থা মামা-মিয়া। এই প্রথম ‘ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুড্‌স’ (এফএমসিজি) সংস্থার আদলে ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে সংস্থা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০১৬ ০৩:২৭
Share:

দেশি-বিদেশি আইসক্রিম সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দিতে এ বার শহরের ছোট-বড় বিপণিতে ‘জেলাটো’ বিক্রি করছে স্থানীয় সংস্থা মামা-মিয়া। এই প্রথম ‘ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুড্‌স’ (এফএমসিজি) সংস্থার আদলে ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে সংস্থা। শহরের ৩৫টি বিপণিতে ছ’টি স্বাদের জেলাটো পাওয়া যাবে বলে সংস্থার দাবি। ভিড় থেকে আলাদা হওয়ার জন্য ব্যবসার নতুন কৌশলের অঙ্গ হিসেবে স্বাদ ছাড়াও পণ্য প্যাকেজিং বা মোড়কের উপর জোর দিচ্ছে মামা-মিয়া।

Advertisement

কলকাতায় যাত্রা শুরু ২০০৫ সালে। পুঁজি ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। এর পরে ২০১৪ সালে হাতবদল হয়। আপাতত এ রাজ্যে ১৩টি বিপণি রয়েছে। সংস্থার দুই কর্ণধার অধিরাজ থিরানি ও অক্ষত সিংহানিয়ার দাবি, আমদানি করা কাঁচামাল ‘জেলাটো’ই তাঁদের ব্যবসার সাফল্যের কারণ। জেলাটিন থেকে তৈরি জেলাটো আইসক্রিমের স্বাদ সাধারণ আইসক্রিমের থেকে আলাদা। আর এই নতুন স্বাদের ভরসাতেই ব্যবসা বাড়াচ্ছে সংস্থা।

বর্তমানে ভারতে বছরে গড়ে আইসক্রিমের চাহিদা ৪০০ মিলিলিটার। আমেরিকায় ১৪ লিটার, চিনে ২.২ লিটার। তবে ইওরোমনিটরের সমীক্ষা বলছে ভারতের বাজারের ছবিটা উজ্জ্বল হবে। ২০১৭ সালে আইসক্রিমের বাজার ৬০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সেই বাজার দখলের লড়াইয়ে রকমারি স্বাদ-গন্ধের উপকরণকেই বাজি ধরছে কলকাতার মামা-মিয়া, ফ্রেশ অ্যান্ড ন্যাচারাল, দিল্লির থাঙ্কোজ ন্যাচারাল বা ক্রিমবেল।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement