২০১৬ সালে পরিষেবা শুরু করেছিল রিলায়্যান্স জিয়ো। —প্রতীকী চিত্র।
ন’বছর আগে রিলায়্যান্স জিয়ো-কে বাজারে নিয়ে এসে টেলিকম ক্ষেত্রে পা রাখার সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনে নেওয়া সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বলে জানালেন মুকেশ অম্বানী। আজ ম্যাকিনসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের চেয়ারম্যানের বক্তব্য, শিল্প বিশ্লেষকদের অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এই প্রকল্প আর্থিক ভাবে সফল না-ও হতে পারে। কিন্তু তাঁর নিজের উদ্দেশ্য ছিল ভারতের ডিজিটাল মানচিত্র বদলে দেওয়া।
২০১৬ সালে পরিষেবা শুরু করেছিল রিলায়্যান্স জিয়ো। নিয়ে এসেছিল সস্তায় ৪জি স্পেকট্রাম নির্ভর ইন্টারনেট পরিষেবা। সেই সঙ্গে নিখরচায় ফোনে কথা বলার সুবিধা। সেই চাপে অন্যান্য সংস্থাও বাধ্য হয় পরিষেবার খরচ কমাতে। শুরু হয় মাসুল যুদ্ধ। তা ঘিরে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক থাকলেও এই মুহূর্তে দেশের ইন্টারনেট পরিষেবার গ্রাহক সংখ্যা পৌঁছেছে ৮০ কোটিতে।
সাক্ষাৎকারে মুকেশের বক্তব্য, ‘‘খুব খারাপ কিছু ঘটলে, আমাদের রিটার্ন প্রত্যাশিত হবে না। তাতে সমস্যা নেই। এই টাকা আমাদের নিজেদের। কিন্তু সে ক্ষেত্রে এই প্রকল্প ভারতে আমাদের বৃহত্তম সেবামূলক কাজ হবে। ডিজিটাল পরিষেবার মাধ্যমে দেশ বদলে যাবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে