— প্রতীকী চিত্র।
চলতি অর্থবর্ষে রাজ্যে অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ৩.৯৯ লক্ষ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা করেছে ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান নাবার্ড। আগের বছরের থেকে ৫% বেশি। কৃষি ছাড়াও ছোট শিল্পের মতো নানা ক্ষেত্রে তা ঢালা হবে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবেছোট সংস্থাগুলি।
সম্প্রতি ‘রাজ্য ঋণ পরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্ভাব্য খরচের ওই রুপরেখা প্রকাশ করেন নাবার্ডের চিফ জেনারেল ম্যানেজার পি কে ভরদ্বাজ। তাঁর দাবি, সরকার ছাড়াও ব্যাঙ্ক ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা করে তা তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলিতে অর্থ কী ভাবে খরচ করা হবে, সেই নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনাটি প্রকাশের অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রতিনিধি প্রভাত কুমার মিশ্র বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কৃষি উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাষিরা কী ধরনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন, তা খতিয়ে দেখে প্রতিকার করা জরুরি। ভরদ্বাজ জানান, ‘‘এই ঋণ পরিকল্পনার ৩৪% বা ১.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কৃষির জন্য। জোর দেওয়া হয়েছে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পণ্য বিপণন এবং কৃষক-উৎপাদক সংগঠনের উপরে। রাজ্যের ৯.১ লক্ষেরও বেশি ছোট-মাঝারি সংস্থাকে সহায়তা দিতে ৫১.৮% বা ২.০৭ লক্ষ কোটি ধরা হয়েছে।’’ এ ছাড়াও গ্রামে শিক্ষা, বাড়ি ও পরিকাঠামো তৈরি, রফতানি, বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির উন্নয়নের মতো অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা ক্ষেত্রগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫৩৭২৪ কোটি।
রাজ্যের অপর প্রতিনিধি ওঙ্কার সিংহ মীনা বলেন, এখানে ৯৬ শতাংশই প্রান্তিক চাষি। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে তৃণমূল স্তরে ঋণ বৃদ্ধি জরুরি। তাই সুগন্ধী চালের মতো যে সব কৃষিপণ্য বেচে আয় বেশি হয়, তাতে জোর দিতে চায় রাজ্য। উল্লেখ্য, রাজ্য ঋণ পরিকল্পনা রূপায়নে সিংহভাগ অর্থের সংস্থান করে ব্যাঙ্কগুলি। সভায় রাজ্য ভিত্তিক ব্যাঙ্কার্স কমিটির আহ্বায়ক বলবীর সিংহের দাবি, ঋণদানের যে লক্ষ্য স্থির হয়েছে, তা পূরণ করতে পারবে ব্যাঙ্কগুলি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে