—প্রতীকী চিত্র।
মোদী সরকার দাবি করছে ২০৪৭-এর মধ্যে ভারত উন্নত দেশ হয়ে উঠবে। সে কথা মনে করিয়ে মঙ্গলবার ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জয় গর্গের বার্তা, ওই লক্ষ্য ছুঁতে হলে পণ্য-পরিষেবার মান রক্ষার বিষয়টিকে অবহেলা করা যাবে না। দেশে পণ্য-পরিষেবার মান নির্ধারক বিআইএস। এ দিন ছিল তাদের প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই মঞ্চে ফের রুপোর গয়নায় বাধ্যতামূলক হলমার্কিং প্রক্রিয়া চালুর কথাও বলেন গর্গ। জানান, এর জন্য পরিকাঠামো তৈরির কাজ শেষ হলেই তা শুরু করে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সোনার হলমার্কিং বাধ্যতামূলক হওয়ায় গ্রাহকেরা উপকৃত হচ্ছেন। রুপোয় তা করার কথা বহু দিন ধরেই বলা হচ্ছে। এ বার দ্রুত তা কার্যকর করা জরুরি।
আজ গর্গ বলেন, ‘‘উন্নত দেশ হয়ে ওঠার প্রধান শর্ত সব কিছুর মান উন্নত করা। তাই ভারতকেও ২০৪৭-এর মধ্যে উন্নত তকমা পেতে হলে তা বাস্তবায়িত করতে হবে। পরিকাঠামো, সংস্থার পরিচালনা, নাগরিক সুবিধা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, আতিথেয়তা শিল্প-সহ সমস্ত ক্ষেত্রেই পণ্য ও পরিষেবার মানে বাড়ানোয় নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, এই বিষয়টিই উন্নয়নশীল এবং উন্নত দেশের মধ্যে প্রভেদ গড়ে দেয়।’’
এ দিন গর্গের বার্তা, দেশের মানুষ যাতে নিরাপদ, বিশ্বাসযোগ্য এবং উন্নত মানের জিনিস ব্যবহার করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা বিআইএসের লক্ষ্য। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৩৭৩ জেলায় সোনার গয়নায় হলমার্কিং বাধ্যতামূলক হয়েছে। পরিকাঠামো বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও জেলাকে এর আওতায় আনা হবে। এ যাবৎ ৫৮ কোটি সোনার গয়নায় হলমার্কিং করা হয়েছে। প্রতি মাসে এক কোটিতে তা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ‘‘রুপোর গয়নাতেও হলমার্কিং চালু করতে চলেছে বিআইএস। এই সব গয়না বা অন্যান্য জিনিসে অনেকে নিজের ইচ্ছায় তা করাচ্ছেন। গয়না-সহ ২৩ লক্ষ রুপোর সামগ্রীতে ইতিমধ্যেই হলমার্কিং হয়েছে। পরিকাঠামো তৈরি হলে নিয়ম বাধ্যতামূলক হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে