দেশে বেড়ে চলা আর্থিক বৈষম্য নিয়ে সতর্কবার্তা আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। —প্রতীকী চিত্র।
ভারতের জিডিপি-র এক তৃতীয়াংশই রয়েছে ২৪৮ জন বিত্তশালীর হাতে। উপদেষ্টা সংস্থা হুরুনের রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত এক বছরে এই ব্যক্তিদের সম্পদ ১০ শতাংশের বেশি বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯৮ লক্ষ কোটি টাকা। আর এই তালিকায় সবচেয়ে দ্রুত এগিয়েছেন গৌতম আদানি। এক বছরে ১ লক্ষ কোটি বেড়ে তাঁর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮.৪ লক্ষ কোটি টাকা। এক বছরে ১৩% সম্পদ কমা সত্ত্বেও এখনও তালিকার শীর্ষে মুকেশ অম্বানী। তাঁর সম্পত্তি ৮.৬ লক্ষ কোটি। দেশে বেড়ে চলা আর্থিক বৈষম্য নিয়ে সতর্কবার্তা আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। জিনিসপত্রের চড়া দামে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মধ্যবিত্ত। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির ফারাক থাকছে বলেও অভিযোগ উঠছে। তখন এই রিপোর্টে ফের সেই অসাম্যের ছবিটাই তুলে ধরছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
হুরুনের সমীক্ষা জানাচ্ছে, দেশে ধনীদের তালিকায় মহিলা বিত্তশালীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন রোশনী নাদার। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এই ২৪৮ জন প্রথম সারির বিত্তশালীর মধ্যে এক বছরে সম্পদ বেড়েছে ১৭৫ জনের। এমনকি গড় সম্পত্তির অঙ্কে এই প্রথম চিনকে টপকে গিয়েছে ভারত। যেখানে চিনা ধনকুবেরদের হাতে গড়ে ২৯,০২৭ কোটি টাকা আছে, সেখানেই ভারতীয় বিত্তশালীদের ক্ষেত্রে তার অঙ্ক ৩৪,৫১৪ কোটি টাকা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে