—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভারতের উৎপাদন ক্ষেত্রে যে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে, তা ধরা পড়ল সমীক্ষায়। ধাক্কা খেল কল-কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি। এই সংক্রান্ত এইচএসবিসি ইন্ডিয়ার সূচক পিএমআই শ্লথ হয়ে দাঁড়াল চার বছরের মধ্যে সব থেকে নীচে। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ৫৬.৯। মার্চে হল ৫৩.৯। সমীক্ষা বলছে, এই সূচক এর আগে ২০২২-এর জুনে সর্বনিম্ন হয়েছিল। পিএমআই ৫০-এর উপর থাকলে বৃদ্ধি। তার নীচে নামলে বোঝায় সঙ্কোচন।
ভারতে এইচএসবিসি-র প্রধান অর্থনীতিবিদ প্রাঞ্জল ভাণ্ডারী বলেন, ‘‘যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সঙ্কট তৈরি করেছে, তা বিশ্ব অর্থনীতির মাধ্যমে আছড়ে পড়েছে ভারতের অন্দরেও। যা এ দেশের উৎপাদকদের বিপাকে ফেলছে।’’ তাঁদের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২২-এর পরে এই প্রথম বেশি ধাক্কা খেয়েছে পিএমআই সূচকের সব থেকে বড় দু’টি অংশ নতুন বরাত এবং উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ। উৎপাদন তেমন ভাবে বাড়ানো যাচ্ছে না। ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের পাশাপাশি, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে খরচের চাপ। বাজার চূড়ান্ত অনিশ্চিত। কঠিন আবহে আগ্রাসী প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন উৎপাদকেরা। সব মিলিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে কল-কারখানার কাজকর্ম এবং কর্মীদের নিয়ে।
প্রাঞ্জলের মতে, ‘‘উৎপাদনের পরিমাণ এবং নতুন বরাত চোখে পড়ার মতো কমে যাওয়া অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি এবং চাহিদা কমার লক্ষণ। উৎপাদন বৃদ্ধি আরও কঠিন হয়েছে বহু পণ্যের কাঁচামালের খরচ চড়ে যাওয়ায়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম, রাসায়নিক, জ্বালানি, পাট, চামড়া ফেব্রিক অয়েল, রাবার এবং ইস্পাত ইত্যাদি। প্রায় সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এগুলির খরচ এত বেশি বাড়েনি।’’
৪০০ উৎপাদকের মতামত নিয়ে এইচএসবিসি ইন্ডিয়ার উৎপাদন পিএমআই তৈরি করে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল। আশার রুপোলি রেখা হিসেবে সমীক্ষায় দাবি, ২০২২-এর অগস্টের পরে গত মাসেই উৎপাদন খরচ সবচেয়ে বেশি হলেও, তুলনায় পণ্যের দাম বাড়ছে ধীর গতিতে। বাড়ছে কর্মসংস্থানও।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে