—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করতেই দেশে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস বণ্টনের উপরে বসানো বিধিনিষেধ তুলে নিল কেন্দ্র। ফলে যুদ্ধের আগে হোটেল-রেস্তরাঁয় রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় ওই ১৯ কেজির সিলিন্ডার যে রকম পাওয়া যেত, এ বার থেকে তেমনই মিলবে। অর্থাৎ, সংঘাতের আবহে জোগান সঙ্কটের কারণে এই ক্ষেত্রকে চাহিদার ৭০% দেওয়া হচ্ছিল। এখন পুরো ১০০ শতাংশই দেওয়ার হবে। কোনও ঘাটতি থাকবে না, দাবি সরকারের।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম সচিব নীরজ মিত্তল সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের চিঠিতে রান্নার গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানিয়েছেন। যার হাত ধরে শিথিল হয়েছে ‘বাল্ক’ অর্থাৎ একলপ্তে বেশি সিলিন্ডার বিক্রির ক্ষেত্রে কড়াকড়িও। এত দিন সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ছিল এই জোগানে। এ বার তা ৫০% করা হয়েছে। মূলত শিল্পমহল ‘বাল্ক’ সিলিন্ডার কেনে। যুদ্ধে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ হওয়াতে জ্বালানির জোগান অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় কেন্দ্র গৃহস্থের হেঁশেলে রান্নার গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেয়। তাই শিল্পের ‘বাল্ক’ জোগান পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছিল।তবে গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে নিয়ম বদলায়নি।
একমাত্র এই ক্ষেত্রেই জোগানে কোনও রাশ টানা হয়নি। শুধু একটি সিলিন্ডার বুকিং-এর পরে আর একটি বুক করার জন্য ২৫ দিনের ফারাক বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এখনও তা বহাল থাকছে।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রান্নার গ্যাসের সঙ্কট যে অনেকটা কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে, তা সরকারের এ দিনের সিদ্ধান্তে স্পষ্ট। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের পরে হয়তো গৃহস্থালির সিলিন্ডার নিয়েও পদক্ষেপ করা হবে। ইন্ডেন এলপিজি ডিলারদের সংগঠনের পক্ষে বিজন বিশ্বাসও বলেন, ‘‘বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যে নিয়ম ছিল তা তুলে দেওয়া হল। এর পরে সম্ভবত গৃহস্থালির জন্য যে রাশ টানা রয়েছে, সেটাও উঠে যাবে। কারণ পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক বলেই আমরা জানতে পারছি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে