—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বাজেটের দিন শেয়ার বাজার দেড় হাজারের বেশি পড়ে গিয়েছিল। রবিবারের সেই বাতাবরণ বদলে গেল সোমবার। সেনসেক্স ৯৪৩.৫২ পয়েন্ট উঠে থামল ৮১,৬৬৬.৪৬ অঙ্কে। লেনদেন চলাকালীন হাজার পেরিয়ে গিয়েছিল উত্থান। নিফ্টি হয় ২৫,০৮৮.৪০-এ। ওঠে ২৬২.৯৫। ডলারের সাপেক্ষে টাকার দামও চাঙ্গা হয়েছে। ডলার ৪৪ পয়সা পড়ে হয়েছে ৯১.৪৯ টাকা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ডলার ছিল দুর্বল। বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমার কারণে তার চাহিদাও ছিল কম যা ঠেলে তোলে ভারতীয় মুদ্রাকে। আর্থিক বিষয়ক সচিব অনুরাধা ঠাকুর বলেন, ‘‘কেন্দ্র ও আরবিআই টাকার দোলাচলের উপর নজর রাখছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেখলে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।’’
বিশেষজ্ঞদের মতে, পড়তি বাজারে ভাল শেয়ার কেনার জন্য শেয়ার সূচক উঠেছে। তবে শেয়ার লেনদেনে অস্থিরতা কেটেছে বলা যাবে না। বিশেষত বাজেটে শেয়ারের আগাম লেনদেনে কর (এসটিটি) বৃদ্ধিকে অনেক লগ্নিকারী ভাল ভাবে নেননি। তবে সোমবারও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, আগাম শেয়ার লেনদেনের বাজার ঝুঁকিপূর্ণ। জল্পনার ভিত্তিতে চলে ওই লেনদেন। তিনি এসটিটি বৃদ্ধির প্রস্তাব এনেছেন সাধারণ লগ্নিকারীদের লোকসানের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতেই।
বাজার মহলের দাবি, এ দিন তেল-গ্যাসের পাশাপাশি ব্যাঙ্কিং এবং গাড়ি শিল্পের বড় সংস্থাগুলির শেয়ার কেনার হিড়িক পড়ে লগ্নিকারীদের মধ্যে। কারণ, রবিবার বাজেটের পরে এগুলির দামই সব থেকে বেশি পড়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, কম দামে ভাল শেয়ার কেনার তাগিদেই মূলত বাজার এতটা উঠেছে এ দিন। তার উপর এইচএসবিসি-র কল-কারখানায় উৎপাদন ক্ষেত্রের পিএমআই সূচক জানুয়ারিতে দু’বছরের সর্বনিম্ন জায়গা থেকে উঠে হয়েছে ৫৫.৪ পয়েন্ট। ব্যবসার আস্থা সাড়ে তিন বছরের তলানিতে ঠেকলেও উৎপাদন ক্ষেত্রের উন্নতিও জ্বালানি জুগিয়েছে শেয়ার বাজারকে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে